রাহুল এবার হাইকোর্টের দরবারে! মোদী পদবি মামলায় সাজাপ্রাপ্তিতে স্থগিতাদেশ দাবি
রাহুল গান্ধী এবার মোদী পদবি সংক্রান্ত মামলায় গুজরাত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে। নিম্ আদালতে ধাক্কা খেয়ে তিনি মোদী পদবি মামলায় সাজাপ্রাপ্তিতে স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। এখন এই মামলায় হাইকোর্ট কী রায় দেন তাঁর উপর নির্ভর করছে রাহুল গান্ধীর ভাগ্য!
রাহুল গান্ধী গুজরাতের সুরাত আদালতে মোদী পদবি মামলায় দোষীসাব্যস্ত হয়। মোদী পদবি নিয়ে মানহানি মামলায় তাঁকে দু-বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়। তারপর লোকসভার তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে তাঁর সংসদ সদস্যপদও কেড়ে নেওয়া হয়। তারপর সুরাতের ফৌজদারি আদালতে গিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এখন তিনি হাইকোর্টের শরণাপন্ন।

রাহুল গান্ধী এদিন নিম্ন আদালতের আদেশরে বিরুদ্ধে গুজরাত হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন। এখন মামলা গ্রহণ করে কবে শুনানি হয়, তার অপেক্ষা। তারপর জানা যাবে রাহুল গান্ধী এই মামলা থেকে সুরাহা বা স্বস্তি পান কি না। আবার তিনি লোকসভার সাংসদ পদে ফিরতে পারেন কি না।
মোদী পদবি নিয়ে মানহানির মামলায় রাহুল গান্ধীকে দু-বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছিল সুরাত আদালত। সেই মামলায় রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুরাতের দায়রা আদালতে আবেদন করেন রাহুল। মানহানির মামলার রায় বাতিলের আবেদন জানান।
রাহুল গান্ধী তাঁর আবেদনে দায়রা আদালতকে মানহানির মামলার রায় বাতিল করার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু সুরাতের দায়রা আদালতে রাহুল গান্ধী তাঁর দোষীসাব্যস্ত হওয়া ও সাজা ঘোষণার রায়কে চ্যালেঞ্জ করেও কোনো ফায়দা পাননি। তাঁর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন বিচারক।
মানহানির মামলায় তাঁকে দোষীসাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা সংক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বাতিলের আবেদন করেছিলেন। তা মঞ্জুর করেননি দায়রা আদালতের বিচারক। তাঁকে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য ৩০ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে তিনি এবার গুজরাতের হাইকোর্টে আবেদন করলেন।
সুরাত আদালত সাজা ঘোষণার পাশাপাশি এই মামলায় রাহুল গান্ধীকে জামিন দেওয়ার আদেশ দিয়েছিল। তারপর ৩০ দিনের অপেক্ষা না করে রাহুল গান্ধীর লোকসভার সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছিল। লোকসভার সচিবালয় এই বিষয়ে অতি দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে রাহুলের সাংসদ পদ স্থগিত করে দেয়।
বিরোধী নেতারা লোকসভার এই চটজলদি পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁরা বলেন, যেন রাহুলের সাংসদ পদ কাড়ার জন্যই এই মামলার অবতারণা করা হয়েছিল। তারপর রাহুল ফের হাইকোর্টের শরণাপন্ন হচ্ছেন। এখন হাইকোর্টের উপরই নির্ভর করছে রাহুল গান্ধীর ভাগ্য।
রাহুল গান্ধী ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনরে আগে এক নির্বাচনী ভাষণে বলেছিলেন, "সব চোরের সাধারণ উপাধি কি মোদী?" নীরব মোদী, ললিত মোদীর তুলনা দিয়ে এই বার্তা দেওয়ার পর বিজেপি বিধায়ক এবং গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেশ মোদী মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে।












Click it and Unblock the Notifications