Rahul Gandhi is SC: ‘মোদী পদবি’ মামলায় ‘সুপ্রিম’ দুয়ারে হাজির রাহুল, মিলবে কি সুরাহা
এবার সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে গেল 'মোদী পদবি' মামলা। শনিবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি ও সাংসদ রাহুল গান্ধী। গুজরাতের একচি আদালত তাঁকে মোদী পদবি সংক্রান্ত মামলা দোষীসাব্যস্ত করে দু'বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। তারপর তাঁর লোকসভার সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যায়।
গুজরাতের দায়রা আদালতের রায়ের পর গুজরাত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাগুল গান্ধী। সেখানেও তাঁর আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। অবশেষে তিনি গুজরাতের হাইকোর্টের খারিজ করার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করেন।

প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী 'মোদী পদবি' সংক্রান্ত মন্তব্যের জন্য ফৌজদারি মানহানির মামলায় গুজরাট হাইকোর্টে দোষীসাব্যস্তের রায় স্থগিত করার আবেদন জানান। কিন্তু তা খারিজ করে দেয় উচ্চ আদালত। এরপরই শীর্ষ আদালতের শরণাপন্ন হলেন তিনি।
২০২৩-এর ২৪ মার্চ লোকসভার সাংসদ হিসাবে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল রাহুল গান্ধীকে। গুজরাতের একটি আদালত তাঁকে দোষীসাব্যস্ত করে অপরাধমূলক মানহানির অভিযোগে দু'বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছিল। ২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল কর্নাটকের কোলারের একটি সমাবেশে রাহুল বলেছিলেন, "কীভাবে সব চোরেদের একটা সাধারণ উপাধি হয়। সব চোরেদের উপাধি কেন মোদী?
এই মামলায় তাঁকে শাস্তি দেওয়ার পর আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁর লড়াই করাই নিষিদ্ধ হয়ে যেতে বসেছে। তার আগে সাংসদ হিসাবে তাঁর পুনর্বহাল হওয়া দরকার। সেই পথ প্রশস্ত করতেই রাহুল গান্ধী এবার সুপ্রিম কোর্টের দুয়ারে হানা দিলেন। দায়রা আদালত বা গুজরাত হাইকোর্ট থেকে তিনি সুরানা না পেয়েই শীর্ষ আদালতে এসেছেন।

রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মোদী পদবি সংক্রান্ত মামলটি করেছিলেন বিজেপি বিধায়ক পূর্ণেশ মোদী। তিনি সুপ্রিম কোর্টে আগেই একটি ক্যাভিয়েট দাখিল করেছিলেন. যাতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কোনো আবেদন করলে তার শুনানি হয়।
হাইকোর্ট রাহুল গান্ধীর আবেদন খারিজ করে দিয়ে জানিয়েছিল, "রাজনীতিতে বিশুদ্ধতা থাকা এখন সময়ের দাবি"। হাইকোর্টে আরও উল্লেখ করেছিল, জন প্রতিনিধিদের ভাষ্য আরও সুলোলিত হওয়া উচিত। এই রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া কিন্তু আইন নয়। এরপরই রাহুলের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়।
রাহুল গান্ধী দোষীসাব্যস্ত হওয়ার উপর স্থগিতাদেশ চাইছেন। রাহুল গান্ধীর স্থির বিশ্বাস সুপ্রিম কোর্টে তিনি নিশ্চিত সুরাহা পাবেন। কেরালার ওয়েনাড থেকে ২০১৯ সালে লোকসভায় নির্বাচিত হন। সুরাতের একটি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার পরে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের বিধানের অধীনে সংসদ সদস্য হিসাবে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications