সাধারণ মানুষের উপর বাড়ছে বোঝা, মোবাইল রিচার্জের টারিফ বাড়ানো নিয়ে নিশানা বিরোধীদের
এয়ারটেল, জিও একের পর এক বেসরকারি মোবাইল নেটওয়ার্ক সংস্থা হঠাৎ করে বাড়িয়ে দিয়েছে রিচার্জের ভাড়া। সাধারণ মানুষের কঠিন পরিস্থিতি। প্রথম কম টাকায় কানেকশন পাইয়ে দিয়ে এখন হঠাৎ করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়ায় চাপ পড়েছে সাধারণ মানুষের উপরে।
অথচ সব জেনে, সব বুঝেও চোখ বন্ধ করে রয়েছে মোদী সরকার। এক ধাক্কায় ১৫ থেকে ১৬ শতাংশ হারে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে রিচার্জের পরিমাণ। এই নিয়ে টেলিকম মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে চিঠি লিখেছে সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন সিটু(CITU)।

অবিলম্বে যেন এই অস্বাভাবিক হারে মোবাইল ইন্টারনেটের বর্ধিত ভাড়া যাতে কমিয়ে নেওয়া হয় তার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। ইচ্ছে করে বেসরকারি মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলিকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই সরকার BSNL-কে আপগ্রেড করছে না। BSNL-র পরিষেবা কিছুতেই 3G, 4G, 5G-তে উন্নত করছে না। সিটুর সাধারণ সম্পাদক তপন সেন অভিযোগ করেছেন BSNL পরিষেবাকে অথর্ব করে রেখে দেওয়া হচ্ছে ইচ্ছে করে।
অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা রণদীপ হুডাও এই নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করেছেন, Reliance Jio, Airtel and Vodafone Idea যেভাবে টারিফ বাড়িয়েছে তাতে বছরে ৩৪,৮২৪ কোটি টাকা বেশি খরচ করতে হবে। এপ্রিল মাস থেকে ১৫২ টাকা করে বেশি গুণছে সাধারণ মানুষ। সুরজেওয়ালা বলেছেন রিলায়েন্স জিও ২০ শতাংশ টারিফ বাড়িয়েছে। অর্থাৎ প্রতি রিচার্জ প্ল্যানে ৩০ টাকার বেশি। ১৮ কোটি সাবস্ত্রাইবার রয়েছে জিওর অন্যদিকে এয়ারটেল ১৫ শতাংশ টারিফ বাড়িয়েছে। আর ভোডাফোন ২২ শতাংশ হারে ভাড়া বাড়িয়েছে।
একের পর এক মোবাইল কোম্পানি হঠাৎ করে এতোটা টারিফ বাড়িয়ে দিয়েছে যে সাধারণ মানুষের কঠিন পরিস্থিতি। মোদী সরকার সব জেনেও চুপ করে রয়েছে। একদিকে গোটা দেশে মুদ্রাস্ফীতি চরম আকার নিয়েছে তার উপরে মোবাইল রিচার্জের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে একের পর এক কোম্পানি। গবিবি দূর করার কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। রাজ্য সভায় জবাবি ভাষণে প্রধাননন্ত্রী মোদী বলেছিলেন আগামী ৫ বছর দেশের দারিদ্রতা দূর করাই তাঁর সরকারের প্রথম এবং প্রধান কাজ।












Click it and Unblock the Notifications