গ্যাস সিলিন্ডার থেকে শাক–সবজির মূল্য, এ বছরের বাজেট নিয়ে ভারতীয় গৃহিণীদের প্রত্যাশা উচ্চ
গ্যাস সিলিন্ডার থেকে শাক–সবজির মূল্য, এ বছরের বাজেট নিয়ে ভারতীয় গৃহিণীদের প্রত্যাশা উচ্চ
২০২২–২৩ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে মহামারির প্রকোপ থেকে ভারতকে উদ্ধার, এর পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন যাতে তা ভবিষ্যতের মারণ রোগের প্রকোপ থেকে প্রতিরোধ করতে পারে আর এটাই গুরুত্বপূর্ণ ফোকাস। কিন্তু ভারতে এই বাজেট অসম্পূর্ণ যদি না দেশের গৃহবধূদের প্রত্যাশার তালিকায় কি কি রয়েছে তা যদি জানা না যায়। এ বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হবে ১ ফেব্রুয়ারি এবং প্রত্যেকটি সেক্টরের মানুষের প্রত্যাশা যেখানে যাচাই করা হয়েছে সেখানে মহিলাদের অংশগ্রহণ ছাড়া বাজেট ভারতে অসম্পূর্ণ। ভারতীয় গৃহিণীরাও তাঁদের পছন্দের তালিকা তৈরি করেছেন। এখানে, আমরা তাঁদের ইচ্ছার তালিকা থেকে কিছু মৌলিক ইচ্ছা তুলে ধরেছি যা তারা বাজেট বরাদ্দের বাইরে আশা করছেন।

দৈনিক প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা হোক
ভারতীয় গৃহিণীদের কাছে রান্নাঘর একট্ খুব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ঘর-সংসারের চাবিকাঠি তাঁদের ওপরই থাকে। সুতরাং এই কেন্দ্রীয় বাজেটে রান্নাঘরের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন আটা, সবজি, চাল, তেল ও অন্যান্য জিনিসের মূল্যের ওপর যদি দৃষ্টিপাত করা হয় তবে গৃহবধুদের ক্ষেত্রে রান্নাঘর পরিচালনা করা সহজ হয়। মূল্য বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করার উচ্চ প্রত্যাশা রয়েছে তাঁদের এই বাজেট থেকে।

এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সীমিত করা
ভারতীয় পরিবারগুলিতে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সর্বাধিক আলোচনার বিষয়। ভারতীয় গৃহবধূরা তাই কিছু কর সীমিত করা বা গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য নিয়ন্ত্রণে করার প্রত্যাশা রাখছেন। বেশ কিছু বছর ধরে, গ্যাস সিলিন্ডারের দাম আকাসছোঁয়া হয়ে গিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে ভারতীয় পরিবার ও গৃহীণিদের বাজেটের ওপর। তাঁরা দেশে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কমাতে সরকারের কাছ থেকে কিছু কর বা বিধান আশা করছেন।

দৈনিক চাহিদার সুবিধার জন্য আয়কর স্ল্যাব বৃদ্ধি করুন
এই প্রত্যাশাটি অন্য দুই চাহিদার থেকে একটু অন্যরকম শোনাচ্ছে, কিন্তু গৃহিণী সহ প্রত্যেক ভারতীয় পরিবারে এটা সর্বাধিক চাহিদার দাবি। ভারতীয় গৃহিণীরা এই দাবিকে সমর্থন করেন কারণ এটি তাঁদের পরিবারের মাসিক বাজেটের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। আয়কর স্ল্যাব বৃদ্ধি পেলে তাঁরা তাঁদের বাড়ির মাসিক বাজেট থেকে কিছু টাকা সঞ্চয় করে রাখতে পারেন এবং এটি আরও দক্ষতার সঙ্গে ও কার্যকরভাবে চালনা করতে সহায়তা করে। এই চাহিদাটি গৃহিণীদের সঙ্গে বেশি জড়িত যাঁরা কাজ করেন না বা গৃহ ব্যবস্থাপনায় নিজেদেরকে উৎসর্গ করেন।

স্কুলের ফি বৃদ্ধি সীমিত করা হোক
ভারতীয় গৃহবধূরা শুধু তাঁদের বাড়ি-পরিবার পরিচলনা করেন তাই নয়, এর পাশাপাশি তাঁরা নিজেদের সন্তানদের শিক্ষার দিকটিও পরিচালনা করে থাকেন। দেখা গিয়েছে, বিগত কয়েক বছরে স্কুলগুলি মূল্যস্ফীতির হারের ওপরে তাদের স্কুলের ফি বাড়িয়েছে। ভারতীয় গৃহিণীদের প্রত্যাশা রয়েছে যে সরকার এ বিষয়ে পদক্ষেপ করবে এবং স্কুল ফি বৃদ্ধি সংক্রান্ত কিছু নিয়ম জারি করবে। এক ব্যক্তির আয়ের চেয়ে বেশি হয় স্কুলের ফি, যা অভিভাবকদের জন্য কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি করে তা পরিচালনা করার এবং সেই ফি দিতে গিয়ে নাজেহাল হতে হয়। গৃহিণীদের দাবিগুলি খুবই সাধারণ কিন্তু বিবেচনা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বেসরকারি স্কুলগুলির লাগামছাড়া ফি বৃদ্ধির ওপর এবার সরকারের উচিত রাশ টানা।












Click it and Unblock the Notifications