ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী মোদীর মেগা সমাবেশ! ভোটের আগে বাংলায় নতুন রণকৌশল সাজাচ্ছে বিজেপি, কী পরিকল্পনা?
মার্চ মাসের ১৪ তারিখ কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বড় সমাবেশ করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেই সভাকে ঘিরেই পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজনৈতিক কৌশল সাজাতে শুরু করেছে বিজেপি। দল সূত্রে ইঙ্গিত যে, আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই এইবার আরও পরিকল্পিতভাবে ভোটের লড়াইয়ে নামতে চায় তারা।

দলীয় নেতৃত্বের মতে, ২০১৯ সালের লোকসভা এবং ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যে রাজনৈতিক জমি তৈরি হয়েছে, তা আরও শক্ত করতে চায় বিজেপি। সেই সঙ্গে তৃণমূল সরকারের নগদ সাহায্য প্রকল্পগুলির মোকাবিলায় উন্নয়ন এবং কল্যাণমূলক প্রতিশ্রুতির উপর জোর দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে।
এই সভার আগে ইতিমধ্যেই রাজ্যে নয়টি 'পরিবর্তন যাত্রা' সম্পন্ন হয়েছে। বিজেপির মতে, ব্রিগেডের সভা থেকেই পরবর্তী পর্যায়ের রাজনৈতিক প্রচার শুরু হবে। উল্লেখ্য, ২০২১ বিধানসভা ভোটের আগেও এই একই ময়দান থেকে বড় সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
গত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এইবার সংগঠনকে আরও শক্ত করার উপর জোর দিচ্ছে দল। এইবার যে সমস্ত নেতারা দলবদল করে এসেছে তাদের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা না রেখে কর্মীভিত্তিক সংগঠন বাড়ানোর পরিকল্পনাও করা হয়েছে। পুরো প্রচার কৌশল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছেন অমিত শাহ, ভূপেন্দ্র যাদব, অমিত মালব্য, বিপ্লব কুমার দেব এবং সুনীল বানসাল।
দলীয় বিশ্লেষণে পশ্চিমবঙ্গকে তিনটি রাজনৈতিক অঞ্চল (উত্তরবঙ্গ, মধ্যাঞ্চল এবং দক্ষিণবঙ্গ)-এ ভাগ করে দেখা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গে চা-বাগান শ্রমিক এবং রাজবংশী ভোটারদের মধ্যে সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। মধ্যাঞ্চলেও বিজেপির সংগঠন শক্তিশালী হয়েছে বলে দাবি করেছে দল। তবে দক্ষিণবঙ্গ, বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার এলাকাগুলিকে এখনও পর্যন্ত বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে দল।
অন্যদিকে আবার, সংখ্যালঘু ভোট যেখানে বেশি, যেমন মুর্শিদাবাদ, মালদা এবং ২৪ পরগনার কিছু অংশ, সেখানে ঐতিহ্যগতভাবে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে থাকে। এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই বিজেপি বাকি এলাকাযগুলিতে নিজেদের ভোটভিত্তি আরও মজবুত করার কৌশল নিচ্ছে।
এদিকে ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও নতুন মাত্রা পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী অভিযোগ করেছেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংখ্যালঘু ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, এটি নির্বাচন কমিশনের নিয়মিত প্রশাসনিক কাজ।
রাজনৈতিক বার্তাতেও কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। আগের মতো শুধুমাত্র ধর্মীয় মেরুকরণের উপরে জোর না দিয়ে এবার বাঙালি সাংস্কৃতিক প্রতীক এবং আঞ্চলিক আবেগকেও প্রচারের অংশ করা হচ্ছে। মোদীর সাম্প্রতিক বক্তৃতায় "জয় মা কালী" উচ্চারণও সেই কৌশলের অংশ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
-
১৯২ আসনে বামফ্রন্টের প্রার্থী ঘোষণা, তালিকায় নবীন প্রবীণের মেলবন্ধন -
রাজ্যে আমলা ও পুলিশের শীর্ষ স্তরে বদল আনল কমিশন, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
কমিশন ও বিজেপি নারীবিরোধী, বাংলা-বিরোধী, মন্তব্য মমতার -
ভোট ঘোষণার পরই তৎপরতা, মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল শুরু -
ঈদের আগে প্রতিবেশীর পাশে ভারত, কলকাতা বন্দর থেকে বাংলাদেশে পৌঁছল বিপুল পরিমাণ চাল -
তিন রাজ্যে এক আসনে বহু প্রার্থী, রাজ্যসভা ভোটে শুরু রিসর্ট রাজনীতি -
ভোররাতে আইসিইউ-তে আগুন! ১০ রোগীর মৃত্যু, আহত বহু স্বাস্থ্যকর্মী, প্রশ্নের মুখে হাসপাতালের নিরাপত্তা -
সপ্তাহের শুরুতেই আবহাওয়ার টুইস্ট! কলকাতা সহ একাধিক রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা, কী বলছে হাওয়া অফিস? জানুন -
রাতারাতি বড় সিদ্ধান্ত! মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরাল নির্বাচন কমিশন, নতুন দায়িত্বে কারা? -
যুদ্ধের মাঝেও স্বস্তি! হরমুজ প্রণালী পেরোল ভারতের ২ গ্যাসবাহী জাহাজ, কী বললেন জয়শঙ্কর? -
নন্দীগ্রামের সঙ্গে মমতার ভবানীপুরেও লড়বেন শুভেন্দু, বিজেপির প্রথম দফার তালিকায় প্রার্থী কারা? -
রেলের টিকিট বুকিংয়ে বড় পরিবর্তন! আসছে নতুন রিজার্ভেশন সিস্টেম, কী সুবিধা পাওয়া যাবে? জেনে নিন












Click it and Unblock the Notifications