অরুণার ধর্ষণকারীকে গ্রাম থেকে তাড়ানো প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেবে পঞ্চায়েত
পাপরা (হাপুর), ১ জুন : অরুণা সানবওগের ধর্ষণকারী সোহনলাল বাল্মিকী বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের যে গ্রামে বসবাস করছে সেখানে সোহনলাল ও তার পরিবারের জন্য বসতে চলেছে সালিশি সভা। এই সপ্তাহেই পঞ্চায়েত বসবে।
যে ব্যক্তি প্রায় ৩ দশক ধরে ওই গ্রামে থাকছে তাঁর আসল স্বরূপ সামনে আসার পর এবার পঞ্চায়েতই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে অরুণা সানবওগের ধর্ষণকারী ওই গ্রামে থাকতে পারবে কি না।[অরুণা সানবওগের ধর্ষণকারী রয়েছে উত্তরপ্রদেশে, অস্বীকার করেছে ধর্ষণের অভিযোগও]
পাপরা গ্রামের প্রধান জানিয়েছেন, "অরুণা সানবওগকে যে নির্মমভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, এবং সেই নৃশংস ব্যক্তি আমাদেরই গ্রামের বাসিন্দা, একথা জানতে পারার পর গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।"

বছর চল্লিশের যোগিন্দর সিংয়ের কথায়, "আমার জন্ম হয়েছে পাপরায়। আর বহুবছর ধরে সোহনলাল ও তার পরিবারকে চিনি। কিন্তু সোহনলাল অন্য জাতের বলে ওর সঙ্গে খুব একটা কথা হতো না। মিডিয়ার মাধ্যমেই আমরা সোহনলালের অতীত সম্পর্কে জানতে পেরেছি। পাপরা চিরকাল শান্তিপূর্ণ জায়গা বলেই পরিচিত। কিন্তু সোহনলালের কারণে এগ্রামের নাম খারাপ হয়েছে।"
হাপুরের পাপরা রাজপুত অধ্যুষিত এলাকা। যোগিন্দর জানিয়েছেন, গ্রামবাসীদের অধিকাংশই সোহনলালকে গ্রাম থেকে বহিষ্কৃত করার পক্ষে।
যদিও সোহনলালের পরিবারের দাবি, সোহনলাল অরুণার ধর্ষণ করেনি। আসল দোষীকে ধরার চাপ ছিল পুলিশের উপর। তাই নিজেদের মাথা বাঁচাতে সোহনলালকে অভিযুক্ত বানিয়ে দিয়েছে পুলিশই।
এদিকে সোহনলালের পাপরা গ্রামে থাকার খবর মিডিয়ায় আসার পর থেকেই আর গ্রামে ফেরেনি সে। অনেকেই মনে করছেন গা ঢাকা দিয়েছে সোহনলাল।
যদিও সোহনলালের পুত্রবধূর কথায়, "আমার শ্বশরকে আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছিল, তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছিল [খুনের চেষ্টার দায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল সোহনলালের। ১৯৮০ সাল থেকে মুক্ত হয়ে যায় সে। যদিও তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ বা যৌন হেনস্থার কোনো অভিযোগই আনা হয়নি।]"
এরপরে সোহনলালের পুত্রবধু বলেন, শ্বশুরমশাই সাজা কেটে আসার পর থেকে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করছেন। কিন্তু এখন মিডিয়া ওই ঘটনাটাকে নিয়ে আবার উত্তেজনা ছড়াচ্ছে এবং তাকে আবার জেলে ঢোকাতে চাইছে।












Click it and Unblock the Notifications