এক দেশ, এক নির্বাচন বাস্তববাদী নয়? ১৫ টি বিরোধী দল বিপক্ষে, দাবি মল্লিকার্জুন খাড়গের
'এক দেশ এক নির্বাচন' এই নীতি কি কার্যকর হবে? এই চর্চা চলছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ১৫ টি বিরোধী দল এই প্রস্তাবের বিপক্ষে৷ এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়েছে।
'এক দেশ, এক নির্বাচন' সম্পর্কে বক্তব্য রেখেছেন কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। এই পরিকল্পনা আসলেই বাস্তববাদী বা বাস্তব সম্মত নয়। এটি আসলে জনসাধারণের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা। হরিয়ানা নির্বাচম সামনে। সেজন্য ইস্তাহার প্রকাশ করা হল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে।

আরও বলেছেন এই কংগ্রেস নেতা। খাড়গের কথায়, " যখন নির্বাচন আসে, বিজেপি উত্থাপন করার মতো কোনও ইস্যু পায় না। তাই তারা আসল বিষয় থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেয়।" পরে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, "এটা সংবিধানের পরিপন্থী। এটা গণতন্ত্রের পরিপন্থী। এটা ফেডারেলিজমের বিরুদ্ধে। দেশ কখনওই এটা মেনে নেবে না।"
" আমরা এক দেশ, এক নির্বাচনের ধারণার বিরোধিতা করি," বলেছেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের মনোজ ঝা৷ "অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, পরামর্শের সময় ৮০ শতাংশ মানুষ এটিকে সমর্থন করেছিলেন৷ আমরা জানতে চাই ৮০ শতাংশ মানুষ কারা? কেউ কি আমাদের কিছু জিজ্ঞাসা করেছে বা আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন?" তিনি যোগ করেছেন।
এটি বাস্তবায়নের জন্য সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। কারণ এতে সংবিধান সংশোধন জড়িত আছে। এটি কার্যকর করতে কমপক্ষে ছয়টি সংশোধনীর প্রয়োজন হবে। এরপর সেটি সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে অনুমোদন করতে হবে।
সংসদের উভয় কক্ষে এনডিএ-র সহজ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। তবে উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া চ্যালেঞ্জ হতে পারে। রাজ্যসভার ২৪৫ টি আসনের মধ্যে এনডিএ-র রয়েছে ১১২ টি। বিরোধী দলগুলির রয়েছে ৮৫ টি। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য সরকারের কমপক্ষে ১৬৪ টি ভোট প্রয়োজন।
লোকসভায় এনডিএ-র ৫৪৫ টি আসনের মধ্যে ২৯২ টি আসন রয়েছে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা, মানে ৩৬৪। পরিস্থিতি কী হবে? তাই নিয়ে চর্চা চলছে। দুই কক্ষে ভোটদানের সময় উপস্থিতির সংখ্যার উপর নির্ভর করবে।












Click it and Unblock the Notifications