Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

'এবার বাংলার পালা', লোকসভা সরগরম করে স্লোগান বিজেপি সাংসদদের

সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে সোমবার লোকসভায় 'বন্দে মাতরম’-এর সার্ধশতবর্ষপূর্তি নিয়ে আলোচনায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লোকসভায় প্রবেশ করতেই বিজেপি সাংসদরা 'বিহার কি জিত হামারি হ্যায়, অব বেঙ্গল কি বারি হ্যায়’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এর সহজ অর্থ হল, 'বিহার আমরা জিতেছি, এবার বাংলার পালা’।

'বন্দে মাতরম’ আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদী লোকসভায় বলেন, "যে মন্ত্র ও জয়ধ্বনি দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে শক্তি ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল, ত্যাগ ও তপস্যার পথ দেখিয়েছিল, সেই 'বন্দে মাতরম’-কে স্মরণ করা আমাদের পরম সৌভাগ্য। এটি ছিল স্বাধীনতা, ত্যাগ, শক্তি ও সাধনার মন্ত্র।"

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ১৯০৫ সালে ইংরেজরা যখন বাংলা ভাগ করে, তখন 'বন্দে মাতরম’ অটল ছিল। তিনি জানান, ব্রিটিশরা বাংলা বিভাজনের মাধ্যমে ভারতকে দুর্বল করতে চেয়েছিল, কিন্তু 'বন্দে মাতরম’ তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ ও দেশের জন্য শক্তির প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়। বাংলার ঐক্যের জন্য এই মন্ত্র গণ আন্দোলনের প্রধান স্লোগান হয়ে ওঠে, যা দেশকে প্রেরণা জুগিয়েছে।

মোদী আরও বলেন যে, মুসলিম লীগের চাপে কংগ্রেস 'বন্দে মাতরম’-কে খণ্ড-খণ্ড করে দিয়েছিল। তাঁর মতে, তোষণের রাজনীতির প্রভাবে কংগ্রেস 'বন্দে মাতরম’-এর বিভাজনের কাছে নতিস্বীকার করে, যার ফলস্বরূপ একদিন ভারতবর্ষের বিভাজনও মেনে নিতে বাধ্য হয়।

প্রধানমন্ত্রী মোদী দাবি করেছেন, পণ্ডিত নেহরু মহম্মদ আলি জিন্নার সঙ্গে একমত ছিলেন। জিন্না ১৯৩৭ সালের ১৫ই অক্টোবর লখনউ থেকে 'বন্দে মাতরম’-এর বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন। কংগ্রেসের তৎকালীন সভাপতি জওহরলাল নেহরু নিজের অবস্থান টলমলে দেখে জিন্নার বিরোধিতা প্রত্যাখ্যান না করে 'বন্দে মাতরম’ নিয়ে তদন্ত শুরু করেন। তাঁর মতে, মুসলিম লীগের চাপে কংগ্রেস জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে আপস করে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+