• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

নতুন বিতর্ক, বিখ্যাত স্বর্ণমন্দিরে আসতে পারে এই বিশেষ পরিবর্তন

Google Oneindia Bengali News

কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ,জ্ঞানব্যাপি মসজিদ, তাজমহল এবং মথুরার শাহী ইদগাহ মসজিদ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে, পাঞ্জাবের অমৃতসরে একটি নতুন বিতর্ক তৈরি হচ্ছে। বেশ কয়েকটি মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে একজন অকাল তখত নেতা শিরোমণি গুরুদ্বার কমিটিকে (এসজিপিসি) শিখদের প্রধান আধ্যাত্মিক স্থান স্বর্ণ মন্দিরে বিশেষ একটি পরিবর্তন করতে বলেছে।

কী পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে ?

কী পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে ?

শিখ ধর্মের পাঁচটি ধর্মযাজক অকাল তখতের জথেদার জিয়ানি হরপ্রীত সিং এসজিপিসি-কে হরমন্দির সাহিব বা স্বর্ণ মন্দির থেকে হারমোনিয়ামটিকে পরিবর্তন করতে বলেছেন। তিনি জোর দিয়ে দিয়েছিলেন যে হারমোনিয়ামটি ব্রিটিশরা এনেছিল এবং শিখ সম্প্রদায়ের প্রকৃত ঐতিহ্যের সাথে এটি যুক্ত নয় তাই এটি পরিবর্তন করা দরকার।

'হারমোনিয়ামের ঔপনিবেশিক শিকড় রয়েছে'

'হারমোনিয়ামের ঔপনিবেশিক শিকড় রয়েছে'


তার দাবিকে প্রমান করতে, জিয়ানি হরপ্রীত সিং দাবি করেন যে ওই হারমোনিয়ামের ঔপনিবেশিক যোগ রয়েছে এবং এটি গুরবানি বর্ণনার জন্য একটি অনুপযুক্ত মাধ্যম বলে তিনি মনে করেন।

মিলেছে সমর্থন

মিলেছে সমর্থন

একদল সঙ্গীতজ্ঞ অকাল তখত জথেদারের দাবিকে সমর্থন করেছেন। তাঁরা বলেছিল যে গুরু নানক যাকে শিখ ধর্মের প্রথম কীর্তন গায়ক হিসাবে বিবেচনা করা হয় তিনি হারমোনিয়াম ব্যবহার করেননি কারণ যন্ত্রটি ভারতীয় বা ঐতিহ্যবাহী শিখ সঙ্গীতের অংশ ছিল না। ব্রিটিশরা ভারতে আসার পরেই হারমোনিয়াম চালু হয়েছিল এবং তাদের হস্তক্ষেপের অংশ হিসাবে তারা শিখ ঐতিহ্যের উপর এই যন্ত্রটি আরোপ করেছিল।

বলওয়ান্ত সিং বলেছেন যে , "আমরা স্ট্রিং ইন্সট্রুমেন্টগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার দাবি নিয়ে অকাল তখত জথেদারের সাথে দেখা করেছি। এটা ভালো যে তারা এই দিকে পদক্ষেপ নিচ্ছে"।

স্বর্ণ মন্দির থেকে হারমোনিয়াম অপসারণ করা কি সম্ভব?

স্বর্ণ মন্দির থেকে হারমোনিয়াম অপসারণ করা কি সম্ভব?


স্বর্ণ মন্দির থেকে হারমোনিয়াম অপসারণ করা সহজ হবে না কারণ প্রতিদিন ১৫ জন রাগী জাঠের একটি দল (গান গায়ক) ২০ ঘন্টার ব্যবধানে প্রায় ৩১ টি রাগ গায় যা ওই স্থানের আধ্যাত্মিক ভাবকে সম্পূর্ণ করে। মোট গায়কের মধ্যে মাত্র ৫ জন স্ট্রিং যন্ত্র ব্যবহার করেন।

ভারতের পাঞ্জাবের অমৃতসর শহরে অবস্থিত একটি গুরুদ্বার। এটি শিখ ধর্মের প্রধান আধ্যাত্মিক স্থান। মন্দিরের জলাধারটি চতুর্থ শিখ গুরু, গুরু রাম দাস, ১৫৭৭ সালে সম্পন্ন করেছিলেন। গুরুদ্বার বারবার শিখদের দ্বারা পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল। এখানে বহুবার মুঘল ও আফগান সেনাদের আক্রমণকারী হয়েছিল। মহারাজা রঞ্জিত সিং, শিখ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর, ১৮০৯ সালে মার্বেল এবং তামা দিয়ে এটিকে পুনর্নির্মাণ করেন এবং ১৮৩০ সালে সোনার পাতা দিয়ে গর্ভগৃহটি মুড়ে দেন। এর ফলে মন্দিরের নাম হয় স্বর্ণ মন্দির।

English summary
golden temple may face a change in its harmonium
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X