টুইটার অ্যাকাউন্ট নেই, বিতর্কিত টুইট অস্বীকার করলেন জেএনইউ-এর উপাচার্য
টুইটার অ্যাকাউন্ট নেই, বিতর্কিত টুইট অস্বীকার করলেন জেএনইউ-এর উপাচার্য
জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা উপাচার্য শান্তিশ্রী ধুলিপুড়ি পণ্ডিতের নিয়োগের পরই তাঁর একটি টুইটকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তবে উপাচার্য জানিয়েছেন যে তাঁর কোনও টুইটার অ্যাকাউন্টই নেই। অথচ সোমবার তাঁর নিয়োগের পর থেকেই উপাচার্যের টুইট ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়া।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে পণ্ডিত বলেন, 'আমি সোশ্যাল মিডিয়াতে অ্যাক্টিভ নয়। আমার কোনও টুইটার অ্যাকাউন্টও নেই। এটা শুনে মনে হচ্ছে এই অ্যাকাউন্টটি কেউ তৈরি করেছে।’ প্রসঙ্গত, সোমবার জেএনইউ–এর প্রথম মহিলা উপাচার্যের নিয়োগের পর পরই একটি পুরনো টুইটের স্ক্রিনশট শান্তশ্রী ডি নামের এক টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা হয়, যা গোটা নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং যার ফলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট পোস্ট করে তাতে মহাত্মা গান্ধীর হত্যা উল্লেখ করে দাবি করা হয় যে তাঁর হত্যাকারী নাথুরাম গডসে ভেবেছিলেন 'অভিযানটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং একটি অখন্ড ভারতের জন্য সমাধান চিহ্নিত করেছিল’। এখানেই শেষ নয়, আরও একটি টুইটে শান্তশ্রী ডি নামের ব্যবহারকারী লেখেন যে জামিয়া ও সেন্ট স্টিফেনের মতো সাম্প্রদায়িক কলেজগুলির অর্থায়ন নিষিদ্ধ করা হোক এবং যে কৃষক নেতারা বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল, যা পরে প্রত্যাহার করা হয়, তাঁদের 'পরজীবী মধ্যস্বত্বভোগী’ হিসাবে ডাকা হয়। সোমবার সন্ধ্যার মধ্যেই ওই অ্যাকাউন্টটি ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেওয়া হয়েছে।
৫৯ বছরের পণ্ডিত জেএনইউয়ের প্রাক্তনী এবং উপাচার্য নিয়োগের আগে তিনি সাবিত্রীবাই ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি পাঁচ বছরের জন্য জেএনইউয়ের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ হয়েছেন। এর আগে জেএনইউতে উপাচার্য পদে ছিলেন এম জগদেশ কুমার। জেএনইউয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পরই শান্তিশ্রী ধুলিপুড়ি পণ্ডিত বলেছেন যে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমি স্তরকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং এখানে যাতে পড়াশোনার পরিবেশ বজায় থাকে সেদিকে মনোনিবেশ করবেন।












Click it and Unblock the Notifications