No-confidence Motion: মণিপুরের পাশে দেশ, দোষীদের কঠোরতম শাস্তি ও শান্তি ফেরানোর আশ্বাস, কংগ্রেসকে বিঁধলেন মোদী
No-confidence Motion: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সংসদে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের উপর জবাবি ভাষণ দিলেন। যদিও তিনি মণিপুর নিয়ে বলা শুরুর আগেই ওয়াকআউট করে 'ইন্ডিয়া' জোটে থাকা বিরোধী দলগুলি।
নরেন্দ্র মোদী বিরোধীদের ওয়াকআউটের সমালোচনা করে বলেন, গতকাল অমিত শাহ মণিপুর নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। আলোচনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বিরোধীদের বলার সুযোগ থাকত। কিন্তু তা খারিজ করেছেন তাঁরা। আজ মণিপুর নিয়ে বক্তব্য না শুনেই পালিয়ে গেলেন!

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার সর্বতোভাবে চেষ্টা করছে যাতে অপরাধী, ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোরতম শাস্তি হয়। আমি সকলকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, মণিপুরে শান্তি ফিরবে। মণিপুরের কন্যা, মহিলা-সহ সকল নাগরিকের উদ্দেশে বলছি, গোটা দেশ মণিপুরের পাশে রয়েছে। মণিপুর আবারও উন্নয়নের পথে ফিরবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার সর্বতোভাবে চেষ্টা করছে যাতে অপরাধী, ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোরতম শাস্তি হয়। আমি সকলকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, মণিপুরে শান্তি ফিরবে। মণিপুরের কন্যা, মহিলা-সহ সকল নাগরিকের উদ্দেশে বলছি, গোটা দেশ মণিপুরের পাশে রয়েছে। মণিপুর আবারও উন্নয়নের পথে ফিরবে।

মোদীর কথা, অমিত ভাই (শাহ) আগেই বলেছেন মণিপুরে কী ঘটনা ঘটেছে, কেন ঘটনা ঘটেছে। তবে মণিপুর-সহ উত্তর-পূর্বে সমস্যার জননী কংগ্রেস। দেশের চেয়েও কংগ্রেসের কাছে বড় বিষয় রাজনীতি। ভারতীয় সংস্কৃতি, ভাবধারা, স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে মণিপুর। আজাদ হিন্দ ফৌজ থেকে দেশমাতৃকার জন্য শহিদদের বলিদানের ভূমি মণিপুর।
এরপরই কংগ্রেসকে নিশানা করে মোদী বলেন, এই মণিপুরই কংগ্রেস সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকার সময় উগ্রবাদী সংগঠনের মর্জিতে চলতো। সরকারি দফতরে মহাত্মা গান্ধীর ছবি লাগানো যেত না, আজাদ হিন্দ ফৌজের সংগ্রহশালা বোমা মারা হয়েছিল, স্কুলে রাষ্ট্রগান হতো না, লাইব্রেরির অমূল্য সম্পদ পোড়ানো হয়েছিল, মন্দিরে বিকেলে তালা পড়তো।
ইস্কন মন্দিরে বোমা মারা, আইএএস ও আইপিএসদের বেতনের একটা অংশ উগ্রপন্থী সংগঠনকে দিতে বাধ্য করা, সবই হয়েছে কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালীন। ফলে কংগ্রেসের পীড়া সিলেকটিভ, সমবেদনা সিলেকটিভ। সবেতেই রাজনীতি। মণিপুরে সরকার বদলের পর গত ৬ বছরে নানাবিধ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে।

মোদী আরও বলেন, মণিপুরে বনধ, অবরোধ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এখন তা অতীত। শান্তি স্থাপনে সবাইকে নিয়ে নিরন্তর প্রয়াস চালানো হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি রাজনীতি বন্ধ হবে, তত দ্রুত মণিপুরে শান্তি ফিরবে। মোদী সাফ বলেন, উত্তর-পূর্বে যাতে উন্নয়ন না হয় তা নিশ্চিত করেছিলেন জওহরলাল নেহরু।
উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির প্রতি কংগ্রেস আমলের বঞ্চনার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি এনডিএ আসার পর মণিপুর-সহ উত্তর-পূর্বে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন মোদী। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আসিয়ান দেশগুলির উন্নয়নে উত্তর-পূর্ব ভারতকে দূর বলে মনে হবে না। কংগ্রেস উত্তর-পূর্বের আবেগ বোঝার চেষ্টা করেনি বলেও দাবি মোদীর।
মোদী বলেন, আমি উত্তর-পূর্বে ৫০ বার গিয়েছি। এটা পরিসংখ্যান নয়, উত্তর-পূর্বের জন্য কাজ করার ডেডিকেশনের জন্যই গিয়েছি। সব কা সাথ সব কা বিকাশ, এটা কোনও স্লোগান নয়, এটা আমাদের বিশ্বাস। এ কথা ভোটের কথা মাথায় রেখে বলছি না।












Click it and Unblock the Notifications