নির্ভয়ার দোষীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে উদাসীন আদালত, প্রতিবাদ আশা দেবীর
নির্ভয়ার দোষীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে উদাসীন আদালত, প্রতিবাদ আশা দেবীর
তাঁর মেয়ের ওপর যে পাশবিক অত্যাচার হয়েছে তা ভোলার নয়। তার ওপর মেয়ের দোষীরা এখনও বহাল তবিয়তে জেলের রুটি খেয়ে চলেছে। নিজেকে আর কতদিনই বা নিয়ন্ত্রণ করে রাখবেন নির্ভয়ার মা। বুধবার বিচার আদালতের বাইরে আশাদেবী তাঁর মেয়ের দোষীদের ফাঁসির সাজা বিলম্ব হওয়ায় প্রতিবাদ দেখান। এই প্রতিবাদের আগেই আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে চার দোষীর মধ্যে এক পবন গুপ্ত তার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আইনি সহায়তা পাবে।

পবন গুপ্তা তার আগের আইনজীবীকে সরিয়ে নতুন আইনজীবী নিয়োগের জন্য আদালতের কাছে সময় চায়। যা নিয়ে বেশ বিরক্ত অতিরিক্ত দায়রা বিচারক ধমেন্দ্র রানা। জেলার আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ পবনের বাবাকে প্যানেলভুক্ত আইনজীবীদের তালিকা দিয়েছে, যেখান থেকে সে আইনজীবী বেছে নিতে পারে। নির্ভয়ার মা–বাবা ও দিল্লি সরকার মঙ্গলবারই চারজন সাজাপ্রাপ্তের নতুন ফাঁসির দিন চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। এর আগে সুপ্রিম কোর্টও ওই চার দোষীদের নতুন করে ফাঁসির দিন নির্ধারণ করার জন্য বিচার আদালতকে নির্দেশ দিয়েছিল। মৃত্যুদণ্ডের দিন প্রথমে ২২ জানুয়ারি ঠিক হলেও তা পিছিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি ভোর ছ’টার সময় নির্ধারিত হয়। কিন্তু ১৭ জানুয়ারি তা আবার স্থগিত হয়ে যায়। বিচার আদালত ৩১ জানুয়ারি জানায় যে মৃত্যুদণ্ডের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত তা স্থগিত রাখা হবে। চারজন আসামি বর্তমানে তিহার জেলে রয়েছে।
প্রসঙ্গত ২০১২ সালে ডিসেম্বরে দিল্লিতে চলন্ত বাসের মধ্যে মেডিক্যাল ছাত্রীকে ছ’জন মিলে গণধর্ষণ করে, সঙ্গে চলে পাশবিক অত্যাচার। সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মৃত্যু হয় নির্ভয়ার। এরপরই গোটা দেশ সরব হয়, ছ’জন অভিযুক্তের ফাঁসির সাজা দাবি করে। প্রায় সাত বছর পর দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের সাজা হলেও তা আইনি পদ্ধতিতে ফেঁসে কার্যকর হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications