Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সাংসদ-বিধায়কদের ভোটের বদলে নোট মামলায় নয়া নির্দেশ! ১৯৯৮-এর রায় বাতিল সুপ্রিম কোর্টের

সংসদ ও বিধানসভায় সাংসদ ও বিধায়কদের ঘুষ কাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ রায় সুপ্রিম কোর্টের। এব্যাপারে সর্বোচ্চ আদালত তাদেরই দেওয়া ১৯৯৮ সালের রায় বাতিল করে নতুন নির্দেশ দিয়েছে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বের এদিন সাত সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে সংসদ কিংবা বিধানসভায় ভোট কিংবা বক্তৃতার ক্ষেত্রে ঘুষের অভিযোগ উঠলে মামলা থেকে দায় মুক্তির দাবি করতে পারবেন না সাংসদ কিংবা বিধায়করা। এব্যাপারে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ সাংসদ ও বিধায়কদের দুর্নীতি এবং ঘুষ দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের কার্যকারিতাকে ধ্বংস করছে।

সুপ্রিম কোর্টের সাত বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ তাদের সর্বসম্মত রায়ে ১৯৯৮ সালে পিভি নরসীমা রাওয়ের রায়ের মামলা বাতিল করেছে। যা কিনা সংসদে ভোট দেওয়ার জন্য ঘুষ নেওয়ার মামলা থেকে সাংসদ কিংবা বিধায়কদের রক্ষা কবচ দিয়েছিল।

এব্যাপারে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেছেন, তারা বিতর্কের সব দিক স্বাধীনভাবে বিচার করেছেন। সাংসদ কিংবা বিধায়কদের অনাক্রম্যতা ভোগ করা নিয়ে বিচারপতিরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে একমত ও অগ্রাহ্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ঘুষ গ্রহণ করা হলে ঘুষ সম্পূর্ণ হয়। তিনি বলেছেন, সাংসদ ও বিধায়কদের দুর্নীতি ও ঘুষ জনজীবনের সম্ভাবনা নষ্ট করে।

এদিনের রায়ে বলা হয়েছে, সংসদ বা আইনসভার কাজের সঙ্গে সংযোগহীন কোনও সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ফলে এমন একটি শ্রেণি তৈরি হবে যাঁরা দেশের আইন পরিচালনা থেকে অনিয়ন্ত্রিত ছাড় উপভোগ করবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ রায়ে সাংসদ ও বিধায়কদের সংবিধানের ১০৫(২) ও ১৯৪(২) অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সংসদীয় বিশেষাধিকারের অধীনে বক্তৃতা করার জন্য ঘুষ নেওয়ার ও আইনসভায় ভোট দেওয়ার মামলা থেকে মুক্ত রাখার কথা বলা হয়েছিল।

এরপর ২০১২ সালের একটি আবেদনে সেই বছর রাজ্যসভার ভোটের জন্য ঘুষ নেওয়ায় অভিযুক্ত ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা সীতা সোরেন ১০৫ ধারার অধীনে অনাক্রম্যতা দাবি করেছিলেন। কিন্তু ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। যা পরে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হয়।

২০২৩-এর অক্টোবরে সুপ্রিম কোর্টের সাত বিচারপতির বেঞ্চ দু'দিনের শুনানির পরে তাঁদের রায় সংরক্ষণ করেন। সোমবার রায় ঘোষণার সময় প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, ১০৫ ধারা অধীনে ঘুষ অনাক্রম্য নয়। তিনি আরও বলেন. অবৈধ তৃপ্তির জন্য ঘুষ নেওয়ার পরে ভোট বা বক্তৃতা দেওয়ার ওপর নির্ভর করে না। একজন বিধায়ক ঘুষ নিলে অপরাধ সম্পূর্ণ হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+