বেসরকারি ভাঁড়ারে মজুত লক্ষাধিক ডোজ, কিন্তু পুরনো নীতির জেরে টিকার অভাবে ধুঁকছে সরকারি সংস্থাগুলি
বেসরকারিকরণের ফলেই বেকায়দায় সরকারি সংস্থা, টিকার হাহাকার গোটা মুম্বই জুড়ে
গোটা দেশের পাশাপাশি টিকা উদ্বেগ বাড়ছে মহারাষ্ট্রেও। এদিকে টিকার অভাবে জুনের ৩ তারিখের পর মুম্বইয়ের একটা বড় অংশে বন্ধ হয়ে যায় টিকাকরণ প্রক্রিয়া। এমনকী বৃহন্নুম্বই পৌর কর্পোরেশন এবং রাজ্য সরকারের উদ্যেগে যে সেন্টারগুলিতে টিকাকরণ চলছিল সেগুলির দরজাও বন্ধ হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে সম্পূর্ণ উল্টোচিত্র দেখা যাচ্ছে।

পুরনো টিকা নীতির জেরেই বাড়ছে সমস্যা
এদিকে সদ্য বদল করা টিকা নীতির আগে কেন্দ্র জানিয়েছিল সরাসরি প্রস্তুতকারক সংস্থার থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত টিকা কিনতে পারবে রাজ্য সরকার ও বেসরকারি ক্ষেত্রগুলি। এই নির্দেশিকার পরেই শুধুমাত্র মে মাসে মহারাষ্ট্র ২৫.১০ লক্ষ কোভিড টিকা নিজেদের ভাঁড়ারে জমা করে। সেখানে মহারাষ্ট্রের বেসরকারি হাসপাতালগুলি প্রায় ৩২.৩৮ লক্ষ ডোজ সংগ্রহ করে বলে জানা যায়। যা যে কোনও রাজ্যের তুলনায় মে মাসে সর্বাধিক।

বৃহন্নুম্বই পৌর কর্পোরেশনের থেকে ৪ গুণ বেশি টিকা সংগ্রহ
এমনকী শুধুমাত্র মুম্বইয়ের বেসরকারি হাসপাতালগুলি মে মাসে ২২.৩৭ লক্ষ টিকা ডোজ সংগ্রহ করেছে বলে জানা যাচ্ছে। যা বৃহন্নুম্বই পৌর কর্পোরেশনের সংগ্রহ করা টিকা থেকে প্রায় ৪ গুণ বেশি। মে মাসে বৃহন্নুম্বই পৌর কর্পোরেশন একার ক্ষমতায় মাত্র ৫.২৩ লক্ষ ডোজ সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়। যদিও এপ্রিলের চিত্রটা ছিল কানিক আলাদা।

গত একমাসে বেসরকারি হাসপাতালে টিক পেলেন কত মানুষ ?
এপ্রিলে সরসরি প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির থেকে টিকা কেনার ক্ষমতা ছিলনা বেসরকারি হাসপাতালগুলির। সেই মাসে আবার বিএমসি অনেক বেশি পরিমাণ করোনা টিকা পায় বলে জানা যায়। রাজ্য সরকারের তরফে বৃহন্নুম্বই পৌর কর্পোরেশনকে প্রায় ৯.৪৭ লক্ষ ডোজ দেওয়া হয় বলে খবর। এদিকে মে মাসের ১ তারিখ থেকে জুন মাসের ২ তারিখ পর্যন্ত মুম্বইয়ের বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতে ৩.৩৪ লক্ষ মানুষকে করোনা টিকা দেওয়া হয়।

বেসরকারিকরণের ফলেই বেকায়দায় সরকারি সংস্থা
সহজ হিসাবে মে মাসে যে পরিমাণ টিকা সংগ্রহ করেছিল বেসরকারি হাসপাতালগুলি তার মধ্যে মাত্র ১৫ শতাংশ টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এদিকে টিকার বেসরকারিকরনের দরজা খুলতে ফাঁকে পড়ছে সরকারি সংস্থাগুলি। অনেকেই বলছেন আজ যদি এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্র না নিত তাদহলে সরকারি ভাবে অনেক বেশি মানুষের করোনা টিকাকরণ করা সম্ভব হতো। অন্তত মুম্বইয়ের টিকাকরণ চিত্র সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।












Click it and Unblock the Notifications