Manipur Violence: গোলাগুলি-হিংসায় বিপর্যস্ত মণিপুর, চাষাবাদে খামতিতে শস্যভাণ্ডারে টানের আশঙ্কা
মণিপুর তিন মাস ধরে সন্ত্রস্ত। অবিরাম গোলাগুলি চলছে। হিংসায় উন্মত্ত মণিপুরে মরছে মানুষ, আহত ও ঘরছাড়ার সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। নির্যাতন চলছে মহিলাদের উপর। এই জরুরি অবস্থায় শিকেয় উঠেছে চাষবাস। গোলাগুলি থেকে বাঁচলেও পেটে না খেতে পেয়ে মরতে হবে।
মণিপুরে অশান্তিতে চাষাবাদ না হওয়ায় কৃষি দফতর এমনই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চাষ হয়নি, যেখানে হয়েছে ধানের চাষ বিলম্বিত। রাজ্যের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুসারে, রাজ্যজুড়ে ১৪৯টি গ্রামের অন্তত ৫১২৭ হেক্টর কৃষি জমি বর্তমানে পতিত হয়ে পড়ে রয়েছে।

এ বছর জুনের প্রথম সপ্তাহেই মণিপুরে বর্ষা নেমেছিল। কিন্তু এখনও মরশুমি ধানের চাষ হয়নি। মণিপুরের কাংপোকপি জেলার মটবুং কুকি-অধ্যুষিত। মেইতি-সংখ্যাগরিষ্ঠ ইম্ফল উপত্যকা। এই এলাকায় কোথায় চাষের চিহ্নমাত্র নেই। মণিপুর জাতি-দাঙ্গায় এখনও উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে।
মণিপুরের পাহাড় ও উপত্যকার মধ্যে সীমানা বেষ্টিত মটবুং-এর মতো অঞ্চলগুলি হিংসাপ্রবণ অঞ্চল। ওই পাহাড়ের পাদদেশীয় গ্রামগুলিকে 'পেরিফেরাল এলাকা" বা যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রামবাসীরা বলছেন, আতঙ্কে আমরা মাঠে যেতে পারি না। কারণ যে কোনো সময় গোলাগুলি চালানো হতে পারে।
সবাই এখন গ্রাম রক্ষা করতেই ব্যস্ত। স্বেচ্ছাসেবক হয়ে কর্মরত। কিন্তু চাষ যে শিকেয় উঠেছে। এবার টান পড়বে খাবারে, সেদিকে কারও ভ্রুক্ষেপ নেই। আক্রমণ প্রতিহত করাই এখন গ্রামবাসীদের একমাত্র উদ্দেশ্য। সংঘাত পুরোমাত্রায় মণিপুর রাজ্যকে গ্রাস করে নিয়েছে।

সবাই-ই যুদ্ধরত সম্প্রদায়ের একজন। ফলে সব ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে রাজ্যে। কিন্তু হাজার হাজার কৃষক যারা কাংপোকপি, ইম্ফল পশ্চিম, ইম্ফল পূর্ব, কাকচিং, চুরাচাঁদপুর এবং বিষ্ণুপুরের দ্বন্দ্ব-বিধ্বস্ত জেলাগুলির "পেরিফেরাল" গ্রামে বাস করেন, তাঁদের মাথায় হাত পড়েছে এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে।
বর্ষা শুরুতেই মণিপুরে ধান রোপণই রীতি। কিন্তু এলাকায় প্রায়ই নির্বিচারে গুলি উড়তে থাকায়, কৃষকরা বলছেন তাঁরা তাঁদের ক্ষেতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। রাজ্যের আধিকারিকরা বলছেন ধানের উৎপাদন না হওয়ায় মণিপুরের মতো ছোট রাজ্যের জন্য বিশাল ক্ষতি অপেক্ষা করে রয়েছে।
মটবুং এলাকার প্রায় ৭০০ পরিবার কৃষির উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। তাঁদের অধিকাংশই ধান ফলিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু এবার সব জমিই পতিত হয়ে পড়ে রয়েছে। এই অবস্থায় রাজ্য সরকার পার্বত্য-উপত্যকা সীমান্তে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে কৃষিকাজ চালানোর পরিকল্পনা করেছে।
ছবি সৌজন্য: মণিপুর পুলিশ টুইটার
-
যুদ্ধের মাঝেও স্বস্তি! হরমুজ প্রণালী পেরোল ভারতের ২ গ্যাসবাহী জাহাজ, কী বললেন জয়শঙ্কর? -
নন্দীগ্রামের সঙ্গে মমতার ভবানীপুরেও লড়বেন শুভেন্দু, বিজেপির প্রথম দফার তালিকায় প্রার্থী কারা? -
রেলের টিকিট বুকিংয়ে বড় পরিবর্তন! আসছে নতুন রিজার্ভেশন সিস্টেম, কী সুবিধা পাওয়া যাবে? জেনে নিন -
ঈদের আগে প্রতিবেশীর পাশে ভারত, কলকাতা বন্দর থেকে বাংলাদেশে পৌঁছল বিপুল পরিমাণ চাল -
ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পরই তৎপর বিজেপি, প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বৈঠক -
বাংলায় ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, নজর সুপ্রিম কোর্টের রায়ে -
তিন রাজ্যে এক আসনে বহু প্রার্থী, রাজ্যসভা ভোটে শুরু রিসর্ট রাজনীতি -
বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ১৯২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা বামফ্রন্টের, যাদবপুরে বিকাশ, মীনাক্ষী উত্তরপাড়ায় -
কেন্দ্রের বড় পদক্ষেপে স্বস্তির ইঙ্গিত! কমতে পারে সোনার দাম -
১৯২ আসনে বামফ্রন্টের প্রার্থী ঘোষণা, তালিকায় নবীন প্রবীণের মেলবন্ধন -
'কেউ কিছু পাবে না'! ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগে মমতার ভাতা-ডিএ ঘোষণা নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর, কী বললেন? -
রাজ্যে আমলা ও পুলিশের শীর্ষ স্তরে বদল আনল কমিশন, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা












Click it and Unblock the Notifications