আদেশের পরে ছড়িয়েছিল জাতিগত হিংসা! মেইতেইদের সঙ্গে সম্পর্কিত সেই আদেশ মুছল মণিপুর হাইকোর্টের
যে আদেশ নিয়ে উত্তর-পূর্বের রাজ্য মণিপুরে এত হিংসা, তা সংশোধন করল সেই রাজ্যের হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত গত বছরের ২৭ মার্চ মণিপুর হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে সেখানকার মেইতেই সম্প্রদায়কে তফশিলি উপজাতির মর্যাদা দিতে সুপারিশ পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছিল। বুধবার সেই আদেশ থেকে একটি অনুচ্ছেদ মুছে দিয়েছে আদালত। এদিন যা সামনে এসেছে।
প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের সেই আদেশের পরে মণিপুরে ব্যাপকভাবে জাতিগত হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। কেনানা আদিবাসী কুকি সম্প্রদায় হাইকোর্টের নির্দেশের বিরোধিতা করেছিল। বিচারপতি গোলমেই গাইফুলশিলুর বেঞ্চ বলেছে, ওই রায় আইনের ভুল ধারণায় গৃহীত হয়েছিল। আবেদনকারীরা আইন সম্পর্কে তাদের ভুল ধারণার কারণে উল্লিখিত রিট আবেদনের শুনানির সময় আদালতকে সঠিকভাবে সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়েছিল।

বিচারপতি গাইফুলশিলু বলেছেন, ওই আদেশটি মহারাষ্ট্র বনাম মিলিন্দ ও ওরসের। যা সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের বিপরীতে ছিল। কেননা শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল আদালত তফশিলি উপজাতিদের তালিকা সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারে না।
সেই অনুযায়ী, আদেশের প্যারা নং ১৭(iii)-এ দেওয়া নির্দেশটি মুছে ফেলা দরকার। তাই তা মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবারের রায়ে মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রথম উত্তরদাতা আবেদানকারীদের মামলাটি তফশিলি উপজাতিদের তালিকায় মেইতেই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তির জন্য বিবেচনা করবে দ্রুততার সঙ্গে। বিশেষভাবে প্রাপ্তির চার সপ্তাহের মধ্যে।
গত বছরের অক্টোবরে, হাইকোর্ট মণিপুরের উপজাতি সংগঠনগুলিকে ২৭ মার্চের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অনুমতি দেয়। এর প্রেক্ষিতে অল মণিপুর ট্রাইবাল ইউয়নের তরফে একটি আবেদন করা হয়। এরপর এই বছরের ২০ জানুয়ারি মণিপুর হাইকোর্ট তাদের গত বছরের ২৭ মার্চের আদেশ সংশোধন করার জন্য একটি পর্যালোচনা পিটিশন স্বীকার করে। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে তাদের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়ে নোটিশ দেয়।












Click it and Unblock the Notifications