গ্রামীণ কর্মসংস্থানে বড় বদল, বিরোধীদের হট্টগোলের মধ্যেই লোকসভায় পাশ জি রাম জি বিল
এমজিএনআরইজিএ এর জায়গায় নতুন গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইন, লোকসভায় পাশ বিল বিক্ষোভে উত্তাল সংসদ। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে প্রবল হইচই ও বিরোধীদের তীব্র আপত্তির মধ্যেই লোকসভায় পাশ হয়ে গেল কেন্দ্র সরকারের প্রস্তাবিত নতুন গ্রামীণ কর্মসংস্থান বিল। বৃহস্পতিবার গৃহীত 'বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)' বা ভিবি-জি রাম জি
বিল, ২০২৫ কার্যত মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প (এমজিএনআরইজিএ) কে প্রতিস্থাপন করতে চলেছে।
বিল পাশ হতেই সংসদে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের অভিযোগ, গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইনের নাম থেকে মহাত্মা গান্ধীর নাম বাদ দিয়ে জাতির জনকের প্রতি চরম অসম্মান দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে এই প্রকল্পের মৌলিক অধিকার ও সুরক্ষা দুর্বল করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলে বিরোধীরা।

লোকসভায় দীর্ঘ আট ঘণ্টার আলোচনার জবাবে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তাঁর দাবি, মহাত্মা গান্ধীর নাম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যুক্ত করা হয়েছিল। চৌহানের কথায়, "প্রথমে আইনটির নাম ছিল শুধু এনরেগা। ২০০৯ সালের নির্বাচনের সময় ভোটের স্বার্থে গান্ধীজির নাম জুড়ে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বেই প্রকল্পটি সবচেয়ে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।"
মন্ত্রী আরও বলেন, গান্ধীজির আদর্শ কেবল নামকরণে নয়, বাস্তব উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠা করেছে এনডিএ সরকার। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, উজ্জ্বলা প্রকল্প, স্বচ্ছ ভারত অভিযান ও আয়ুষ্মান ভারতের মতো কর্মসূচির মাধ্যমেই 'বাপু' র স্বপ্ন বাস্তব রূপ পেয়েছে।
অন্যদিকে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সমালোচনার জবাবে বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করে, আগের সরকারের সময় একাধিক প্রকল্পের নাম জওহরলাল নেহরু ও মহাত্মা গান্ধীর নামে রাখা হয়েছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই।
বিল পাশের সময় বিরোধী সাংসদরা ওয়েলে নেমে স্লোগান তোলেন, বিলের কপি ছিঁড়ে স্পিকারের আসনের দিকে ছুড়ে মারেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় স্পিকার ওম বিড়লা দিনের মতো সংসদের অধিবেশন মুলতুবি ঘোষণা করেন।
এর আগেই সংসদ ভবন চত্বরে বিরোধীরা প্রতিবাদ মিছিল করেন। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এই বিলকে 'গান্ধীজির প্রতি অপমান' ও 'গ্রামীণ ভারতের কাজের অধিকারের উপর আঘাত' বলে মন্তব্য করেন। মকর দ্বারে বিক্ষোভে যোগ দেন সোনিয়া গান্ধীও।
নতুন ভিবি-জি রাম জি আইনে প্রতি গ্রামীণ পরিবারকে বছরে ১২৫ দিনের মজুরি ভিত্তিক কাজের আইনি নিশ্চয়তা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আইন কার্যকর হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে রাজ্যগুলিকে নিজেদের কর্মসংস্থান প্রকল্প এই আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে হবে। বিল পাশ হলেও রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক যে আরও তীব্র হবে, তা এখনই স্পষ্ট।
-
বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে ভোটের আগে বিতর্ক, তৃণমূল প্রার্থীর শংসাপত্র নিয়ে হাই কোর্টে বিজেপি প্রার্থীর চ্যালেঞ্জ -
শোকস্তব্ধ বিজয়গড়! ছেলের শোকে ভেঙে পড়েছেন রাহুলের মা, কেমন আছেন পরিবারের বাকিরা? -
মমতা আইনের ঊর্ধ্বে নন, কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে মন্তব্য শুভেন্দুর, তুললেন গুরুতর অভিযোগ -
তৃণমূলের ধাক্কা! মুখ্যসচিব-সহ আধিকারিক অপসারণের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ করল হাই কোর্ট, কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল -
আজও বাংলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, কোন জেলাগুলি ভিজবে? কী বলছে হাওয়া অফিস? জানুন আবহাওয়ার লেটেস্ট আপডেট -
সকালেই বিজ্ঞপ্তি, রাতের মধ্যেই মনোনয়ন জমা, রাজ্যে ভোটের আবহে তৎপর প্রার্থীরা -
নজরে পুরসভাগুলি, ভবিষ্যৎ মনে করিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া নির্দেশিকা কাউন্সিলরদের জন্য -
ইরানের হুমকি! এপ্রিলের শুরু থেকেই হামলা হতে চলেছে গুগল-অ্যাপল সহ ১৮টি মার্কিন কোম্পানিতে -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
বিশ্বখ্যাত আইটি সংস্থায় একলপ্তে ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাই, ভারতে কাজ গেল ১২ হাজার জনের -
'রাজ্যে কার্যত রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছে'! মোদী ও শাহকে কড়া আক্রমণ মমতার, কী বললেন? -
এবার একটা বড় খেলা হবে, নানুরে মন্তব্য মমতার












Click it and Unblock the Notifications