Maharashtra: এনসিপিতে বিভাজনে সমীকরণ বদল! কংগ্রেস মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে বড়ো ভূমিকায়
এনসিপি শিবিরে তৈরি হয়েছে বিভাজন। সেই বিভাজনে সমীকরণ বদলাচ্ছে মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে! কংগ্রেস মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে আবারো বড়ো ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চলেছে। কারণ মানুষ বুঝতে পারছে আঞ্চলিক দলগুলোর সীমাবদ্ধতা। বিদ্রোহীরা দল ভেঙে নিজেদের গোষ্ঠীকেই প্রধান বলে দাবি করছে।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে মহারাষ্ট্রে শিবসেনার দুই গোষ্ঠী তৈরি হওয়ার পর এনসিপিও একই পথে হাঁটায় কংগ্রেসের জন্য একটা ক্ষেত্র তৈরি হতে চলেছে। এনসিপিতে বিভাজের পর কংগ্রেস মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে আবারো পূর্বের জায়গায় ফিরে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চৌহান বলেন, অজিত পাওয়ারের বিদ্রোহের পরে বিরোধী রাজনীতিতে অনেকটা পরিসর তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসকে তা একটি সুযোগ করে দেবে বলেই তাঁর বিশ্বাস। মঙ্গলবার মহারাষ্ট্র কংগ্রেস নেতারা এনসিপি সভাপতি শারদ পাওয়ারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন। তারপরই নিজেদের পর্যালোচনায় কংগ্রেসের বিস্তারের কথা তুলে ধরেন নেতারা।
আসন্ন নির্বাচনগুলিতে তাঁদের কাছে আরো বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসের দাবি, একটি অসাংবিধানিক সরকার মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় রয়েছে। তারা এখানে অপারেশন লোটাস চালিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে। কিন্তু কর্নাটকের জনগণ অপারেশন লোটাস প্রত্যাখ্যান করেছিল। আমরা নিশ্চিত মহারাষ্ট্রের মানুষও তাই করবে।
রাজ্য কংগ্রেসের প্রধান নানা পাটোলে মঙ্গলবার দেখা করেছিলেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে। তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক নাটক দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশে এবং তাঁদের পাঠানো চিত্রনাট্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি জানান, আমরা কংগ্রেস এমভিএ-তে দৃঢ় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি শরদ পাওয়ার-জির সঙ্গে কথা বলেছি। উদ্ধবজির সঙ্গেও কথা বলব। এই সরকারের নোংরা কৌশল প্রকাশ করতে আমরা রাজ্যব্যাপী সফর শুরু করব। মহারাষ্ট্রের মানুষ নিশ্চয় বুঝবেই এই অনৈতিক সরকারের ক্রিয়াকলাপ।
১৯৯৯ সালের এনসিপি গঠিত হয়। তারপর থেকে মহারাষ্ট্র চার-দলীয় রাজনীতি চলে আসছে। পশ্চিম মহারাষ্ট্র, মারাঠওয়াড়া ও উত্তর মহারাষ্ট্রের কিছু অংশে এনসিপির আধিপত্যে কংগ্রেসকে মূল্য চোকাতে হয়েছিল। এর ফলে কংগ্রেসকে বিদর্ভ এবং রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলে সীমাবদ্ধ করেছিল।
এখন এনসিপির বিদ্রোহের ফলে দল দুর্বল হয়ে পড়লে কংগ্রেস আবার সেইসব এলাকায় বিস্তার লাভ করতে পারবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহানও স্বীকার করেছেন, কংগ্রেসের এখন মহারাষ্ট্রে বেড়ে ওঠার সুযোগ রয়েছে। এটা অস্বীকার করার কোনো জায়গা নেই। তবে তার জন্য জনগণের কাছে পৌঁছাতো হবে, কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications