লকডাউন ৩.০: কী কী খোলা থাকছে অরেঞ্জ এবং গ্রিন জোনে জেনে নিন এক নজরে
কী কী খোলা থাকছে অরেঞ্জ এবং গ্রিন জোনে জেনে নিন এক নজরে
গোটা দেশে বাড়ানো হয়েছে লকডাউনের সময়সীমা। আগামী ১৭ মে পর্যন্ত বহাল করা হয়েছে তৃতীয় দফার লকডাউন। জোন ভাগ করে দেওয়া হলেও তৃতীয় দফার লকডাইনে বেশ কিছু জিনিসে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এক কথায় জনজীবন স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে গ্রিন জোনে। কিছুক্ষেত্রে অরেঞ্জ জোনে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। রেড জোনেও কিছু জিনিসে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে ছাড়
কন্টাইনমেন্ট জোন বাদ দিয়ে রেডজোনেও বেশ কিছু জিনিসে ছাড় দেওয়া হয়েছে। পুলিসের অনুমতি নিয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করতে পারবে। তবে তাতে চালক ছাড়া ২ জনের বেশি থাকা যাবে না। বাইক মোটর সাইকেলের েক্ষত্রে চালক ছাড়া কেউ যেতে পারবেন না। সেজ এলাকায় কারখানার উৎপাদনে ছাড়। রপ্তানি শিল্পের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে সবক্ষেত্রেই সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে কাজ করতে হবে।

অরেঞ্জ জোনে আংশিক ছাড়
তৃতীয় দফার লকডাউনে অরেঞ্জ জোন অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। ট্যাক্সি চালানো যাবে সেক্ষেত্রে চালক একজন যাত্রীই নিতে পারবেন। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাতায়াত করা যাবে তবে তার জন্য নির্দিষ্ট অনুমতি প্রয়োজন হবে। তবে কেবল মাত্র ব্যক্তিগত গাড়ির যাতায়াতেই অনুমোদন দেওয়া হবে। সেটাও অনুমতি সাপেক্ষে। চার চাকার গাড়িতে চালক ছাড়াএ ২ জন যেতে পারবেন। আর স্কুটার বাইকে চালক ছাড়াও একজন যেতে পারবেন। পাড়ার মুদির দোকান খোলা যাবে। ইলেকট্রিকের দোকান, হার্ড ওয়্যার, রঙের দোকান, লন্ড্রি, বই খাতার দোকান খোলা যাবে।

গ্রিন জোনে স্বাভাবিক জনজীবন
গ্রিন জোনে সীমিত কিছুক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ছাড়া প্রায় সব কিছুই খোলা থাকছে। গ্রিনজোনের এলাকার মধ্যে বাস চালানো যাবে। তবে তাতে ২০ জনের বেশি যাত্রী থাকবে না। এবং চালক ও কনডাক্টরকে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে চলতে হবে। প্রতিদিন বাস স্যানিটাইজ করতে হবে। এই বিধি মেনেই বাস চালানো যাবে। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়াও সব জিনিসের দোকান খোলা যাবে। কারখানার উৎপাদন শুরু করা যাবে। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই সোশ্যাল িডসট্যান্সিং মেেন চলতে হবে। গ্রিন জোনে শপিং মল, সুপার মার্কেট খোলা যাবে।












Click it and Unblock the Notifications