কেরলে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত চরমে! ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের পদ থেকে অপসারিত আরিফ খান
কেরলে রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত আরও বাড়ল। এদিন কেরলের বাম সরকার রাজ্যপাল আরিফ মহম্মক খানকে কেরল কালামণ্ডলম ডিমড ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলরের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। কেরলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্
কেরলে রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত আরও বাড়ল। এদিন কেরলের বাম সরকার রাজ্যপাল আরিফ মহম্মক খানকে কেরল কালামণ্ডলম ডিমড ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলরের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। কেরলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে বিরোধে নবতম সংযোজন এটি।

তবে আরিফ মহম্মক খানকে আচার্যের পদ থেকে অপসারণের আগে কেরলের এলডিএফ সরকার আগের দিন ডিমড ইউনিভার্সিটির নিয়ম সংশোধন করে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদটি এখন শিল্প সংস্কৃতির একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা পূর্ণ করা হবে। যাঁকে নিযুক্ত করবেন পৃষ্ঠপোষক সংস্থা। এখানে ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষক সংস্থা হল কেরল সরকার।
গত কয়েকমাস ধরে কেরলে সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সরকার ও রাজ্যপালের মধ্যে সম্পর্কে অবনতি হয়েছে। তারই মধ্যে এদিন কেরল সরকারের এই পদক্ষেপ উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা। এর আগে কেরলের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, রাজ্যপাল যদি নিজেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে না নেন, তাহলে রাজ্য সরকার আগামী মাসে বিধানসভার অধিবেশন ডেকে আইন তৈরি করবে। বুধবার কেরল সরকার আচার্য হিসেবে রাজ্যপালকে সরাতে অর্ডন্যান্স আনার কথা বলেছিল। রাজ্যপালের জায়গায় শিক্ষাবিদদের নিয়োগেরও সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল। যদিও কেরল সরকারের এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে কংগ্রেস ও বিজেপি।
রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক শুরু গত ডিসেম্বরে। রাজ্যপাল সেই সময় অভিযোগ করেছিলেন তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যের পদ থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। এর পরে গত অগাস্টে রাজ্যপাল আরিফ খান সিপিএম নেতার স্ত্রীকে কান্নুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মালায়লম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগের বিরোধিতা করেছিলেন। এছাড়াও তিনি মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের ব্যক্তিগত সচিব কেকে রাগেশের স্ত্রী প্রিয়া ভার্গিসের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকার অভিযোগ করেছিলেন। এরপর গতমাসে রাজ্যপাল রাজ্যের নটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেন। তাঁর এই নির্দেশের বিরুদ্ধে উপাচার্যরা আদালতে যান।












Click it and Unblock the Notifications