কর্নাটক নির্বাচনের ফল ২০২৩: ৬ মন্ত্রী পিছিয়ে, বিজেপির ভরাডুবির কারণ চিহ্নিত করে খোঁচা সিদ্দারামাইয়ার
কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সামনে আসবে। কংগ্রেস এককভাবে সরকার গঠন করবে, সেই ইঙ্গিতই স্পষ্ট। দিল্লি থেকে বেঙ্গালুরু- কংগ্রেসের পার্টি অফিসে উৎসবের আবহ। চলছে সরকার গঠনের প্রস্তুতি।
বিজেপি এবার ১০০-তেও পৌঁছেতে পারছে না। অনেক দূরেই থামতে হচ্ছে। একের পর এক মন্ত্রীর পিছিয়ে পড়ার খবর সামনে আসছে। এরই মধ্যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া খোঁচা দিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে।

সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গেই কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন ডিকে শিবকুমার। কনকপুরা আসন থেকে তিনি বিপুল ব্যবধানে জিততে চলেছেন। শেষ পাওয়া খবরে তিনি ৭১.৬৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এই আসনে বিজেপি প্রার্থী রাজ্যের রাজস্বমন্ত্রী আর অশোক।
সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী আবাসনমন্ত্রী ভি সোমানা। সিদ্দারামাইয়াও জয়ের পথে। সংবাদমাধ্যমকে সিদ্দারামাইয়া বলেন, নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা অনেকবার এ রাজ্যে এসেছেন। আমি বারবার বলেছি কর্নাটকের ভোটারদের মনে তাঁরা প্রভাব ফেলতে পারবেন না। দুর্নীতি, অপশাসন, জনবিরোধী রাজনীতিতে মানুষ বীতশ্রদ্ধ।

উল্লেখ্য, সোমানাকে বিজেপি চামারাজানগর আসন থেকেও দাঁড় করিয়েছে। তিনি সেখানেও পিছিয়ে রয়েছেন। সেখানে কংগ্রেসের প্রার্থী পুত্তরঙ্গ শেট্টি এগিয়ে। কর্নাটকের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী ড. কে সি নারায়ণ গৌড়াও পিছিয়ে রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। সেখানে বিজেপি প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে জেডিএস প্রার্থী এইচ টি মঞ্জু।

পূর্তমন্ত্রী সি সি পাতিল নভলগুন্ড আসনে কংগ্রেস প্রার্থী বি আর ইয়াভাগালের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। হিরেকেরুর আসনে পিছিয়ে রয়েছেন কর্নাটকের কৃষিমন্ত্রী বিসি পাতিল। সেখানে এগিয়ে রয়েছেন কংগ্রেসের ইউবি বানাকার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে সুধাকর চিক্কাবল্লাপুর আসনে কংগ্রেসের প্রদীপ ঈশ্বরের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন।

কংগ্রেস এই জয়কে কর্নাটক বিজয় নাম দিয়েছে। দিল্লিতে কংগ্রেসের দলীয় সদর দফতরে পোস্টারও টাঙানো হয়েছে। নরেন্দ্র মোদী নিজেকে সামনে রেখে কর্নাটকে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান করেছিলেন। ফলে এটি মোদীর পরাজয় বলেই দেখাচ্ছে কংগ্রেস শিবির।












Click it and Unblock the Notifications