ক্ষমতার লড়াইয়ে কংগ্রেসে বড় ভাঙনের আশঙ্কা! সিন্ধিয়া এবার নাথ-সিংদের বিরুদ্ধে সরব
ক্ষমতার লড়াইয়ে কংগ্রেসে বড় ভাঙনের আশঙ্কা!
দলের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী পদ গ্রহণ করার পর থেকেই কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ সম্ভবত , মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসে ফাটল রোধ করা। ক্রমেই সেখানে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বনাম কমল নাথ লড়াই মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যদিও মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই কমলনাথের সঙ্গে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার ঠাণ্ডা লড়াই চরমে ছিল। ক্রমেই তা সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ভারডুবির পর থেকে প্রকট হয়ে উঠছে।

মধ্যপ্রদেশে পর্দার আড়ালে দ্বিগ্বিজয়ের 'সরকার'!
মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা তথা রাজ্য প্রশাসনের ক্ষেত্রেও আড়াল থেকে ক্ষমতা দেখাচ্ছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি তুলেছেন সেরাজ্যের বর্তমান মন্ত্রী উমং সিংঘার। আর উমং এর এই দাবিকে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুলেছেন জ্যোতিরাদিত্য। এরপরই দানা বাঁধতে শুরু করে বড় বিতর্ক।

জ্যোতিরাদিত্যর দাবি
উমং-এর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জ্যোতিরাদিত্য়কে প্রশ্ন করা হয়, যার প্রেক্ষিতে কংগ্রেসের তরুণ তুর্কী জানান, কারোরই সরকারের কাজে নাক গলানো উচিত নয়। আর রাজ্যের মন্ত্রীরা যদি এমন দাবি করেন, তাহলে তা শোনা উচিত মুখ্যমন্ত্রী (কমল নাথ)এর। এই অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুটি দিকের পক্ষকেই বসে এর সমাধান করতে হবে।

সিন্ধিয়াকে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সভাপতি করার দাবি
কয়েকদিন ধরেই মধ্যপ্রদেশ জুড়ে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে সেরাজ্যের কংগ্রেস সভাপতি করার দাবি জানানো হচ্ছে। আর কয়েকজন সিন্ধিয়া ঘনিষ্ঠ এরজন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞপন দিয়েও সনিয়া গান্ধীর কাছে এই আর্জি জানন। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস ঘিরে আপাতত, নবীন বনাম প্রবীণ যুদ্ধ ক্রমেই প্রকট হয়ে আসছে।












Click it and Unblock the Notifications