• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

আরুষি হত্যা মামলায় তলোয়ার দম্পতিকেই দোষী সাব্যস্ত করল আদালত

আরুষি হত্যা মামলায় তলোয়ার দম্পতিকেই দোষী সাব্যস্ত করল আদালত
নয়াদিল্লি, ২৫ নভেম্বর : শেষমেশ আরুষি হত্যাকাণ্ডে তলোয়ার দম্পতিকে দোষী সাব্যস্ত করল গাজিয়াবাদের বিশেষ সিবিআই আদালত। আজ সোমবারই গাজিয়াবাদের দসনা জেলে নিয়ে যাওয়া হল রাজেশ ও নুপূর তলোয়ারকে।

আদালেত রায়ে ঘোষণার পরই ভেঙে পড়েন তলোয়ার দম্পতি। জানান, ন্যায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবেন তাঁরা। এদিন আরুষি ও হেমরাজ জোড়া হত্যা ও প্রমাণ লোপাটের দায়ে দোযী সাব্যস্ত করেছে আদালত। টানা ১৫ মাসের শুনানির পর আজ রায় জানাল আদালত। আরুষি তলোয়ার হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত রাজেশ ও নুপূর তলোয়ার আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হল।

২০০৮ সালে ৬ মে নয়ডার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ১৪ বছরের আরুষির। ঘটনার পরের দিন বাড়ির পরিচারক হেমরাজেরও মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এর পরেই অভিযোগ ওঠে পরিচারক হেমরাজের সঙ্গে মেয়েকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখেই আরুষিকে খুন করেন তলোয়ার দম্পতি।

প্রথমে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও পরে এই মামলার তদন্তভার চলে যায় সিবিআই-এর হাতে। আদালতে সিবিআই দাবী করে খুনি যে তলোয়ার দম্পতিই সেই বিষয়ে নিশ্চিত তারা। ২০১২ সালের ১১ জুন আরুষির মা-বাবাকে মূল অভিযুক্ত করে বিচারপর্ব শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানির পর তলোয়ার দম্পতির বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করে সিবিআই। আজ সেই শুনানির রায়ই ঘোষণা করল গাজিয়াবাদের বিশেষ সিবিআই আদালত।

English summary
judgement day in Arushi murder case
For Daily Alerts
Get Instant News Updates
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more