কংগ্রেসে যোগদানের পর বাড়ি ফিরতেই কান্না, আবেগ আটকাতে পারলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী
কংগ্রেসের যোগদানের পর সবেমাত্র বাড়ি ফিরেছিলেন কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টর। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে গিয়ে আবেগ সামলাতে পারলেন না স্ত্রী শিল্পাদেবী। স্বামী বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে ফেরার পর আবেগতাড়িত হয়ে কেঁদে ফেললেন তিনি। চোখের জল বাধ মানাতে পারলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী।
কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিট না পেয়ে দলত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি বিজেপি ছেড়ে যোগদান করেন কংগ্রেস। কংগ্রেসে যোগদানের পর তিনি হাবলিতে নিজের বাড়িতে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই আবেগতাড়িত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী শিল্পা শেট্টার।

স্বামীকে অভ্যর্থনা দিতে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। স্বামীর অপেক্ষায় ছিলেন তিনি কখন আসেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টর বাড়িতে সেখানে নামতেই তাঁকে দেখে আর আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। স্ত্রীর কান্না সামলাকতে দেখা যয়া প্রাক্তন মন্ত্রীকে। তখন তিনি নিজেও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
এরপর নিজেকে সামলে শিল্পাদেবী বলেন, "আমার স্বামী একজন অদম্য নেতা। আমি তাঁকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। আমি বিশ্বাস করি যে কেউ আমার স্বামীকে হারাতে পারবে না। আমার স্বামী যখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তখন বিজেপির পায়ের তলায় মাটি ছিল না কর্নাটকে।

তাঁর কথায়, কর্নাটকে বিজেপিকে প্রতিষ্ঠা দিয়েছেন আমার স্বামী। বিজেপিকে শক্তি ভিতের উপর তিনি স্থাপন করেছিলেন। কর্নাটকে বিজেপি তৈরি করেছিলেন যিনি, তাঁকে দল ছাড়তে বাধ্য করেছে বর্তমান নেতৃত্ব। তিনি গর্জে ওঠেন বিজেপির বর্তমান নেতৃত্বের বিরু্দ্ধে।
শিল্পাদেবী তাঁর স্বামীর বিজেপি ছাড়ার বিষয়টিকে কিছু লোকের ষড়যন্ত্র বলে মনে করেন। তাঁর কথায়, "আমরা স্বামী মুখ্যমন্ত্রীর পদ চাননি, মন্ত্রীর পদও চাননি। কিন্তু তিনি সম্মানজনক বিদায় চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটুকুও দেয়নি বিজেপি। প্রয়োজন ফুরাতেউ ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন।

শিল্পা শেট্টর প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ভূমিকা নিয়েও। তাঁরা এই বিষয়টি সব খেয়াল করেননি বলে হাইকমান্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিল্পাদেবী। তাঁর স্বামী আত্মসম্মান বাঁচাতে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন বলে জানান।
শিল্পা বলেন, গোটা রাজ্য জানে জগদীশ শেট্টরের বিজেপি ত্যাগের জন্য কে দায়ী। তবুও তাদের নাম নেওয়া হবে না। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস যে, তাঁর স্বামী আসন্ন নির্বাচনেও হুবলিতে তাঁর জয়ের ধারা অব্যাহত রাখবেন। দলের সবাইকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications