• search

সিকিম সীমান্তের কোনও গ্রামই খালি করা হচ্ছে না, ফের চিনের মুখের ওপর জবাব ভারতের

  • By Sritama Mitra
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ডোকলাম নিয়ে ফের একবার চিনের দাবি উড়িয়ে দিল ভারত। চিনের সেনা অর্থাৎ পিপলস লিবারেশন আর্মি জানিয়েছিল যে, ডোকলামের কাছাকাছি ভারতীয় গ্রাম থেকে গ্রামবাসীদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ভারত। তবে চিনের সেই দাবিকে আবারও একই ভঙ্গিতেই উড়িয় দিল ভারতীয় সেনা।

    সিকিম সীমান্তের কোনও গ্রামই খালি করা হচ্ছে না, ফের চিনের মুখের ওপর জবাব ভারতের

    চিনের সংবাদমাধ্যম 'পিপলস ডেইলি' টুইট করে জানিয়েছিল, সিকিম সংলগ্ন চিনা সীমান্ত নাথাং গ্রাম থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিচ্ছে ভারত। যে জায়গায় গত ২ মাস ধরে চিন ও ভারতীয় সেনার মধ্যে চাপানোতর চলছে। টুইটের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে চিনা সংবাদমাধ্যমটি দাবি করে, চিনের দুটি পয়েন্ট ঢুকে পড়েছে ভারতীয় সেনা।

    যদিও ভারতীয় সেনার তরফে সেই দাবি নস্যাৎ করে বলা হয়, কোনও গ্রামবাসীকেই সরিয়ে আনা হয়নি। অযথা আতঙ্ক তৈরির পরিস্থিতিতে নেই ভারত। তবে সেনা সূত্রের খবর, ভারতীয় সেনা চিন সীমান্তে নিজেদের যাবতীয় সমরসজ্জা প্রস্তুত করে রেখেছে। ভারতীয় সেনা আপাতত 'না যুদ্ধ, না শান্তি' মনোভাবে রয়েছে। তবে প্রয়োজনে যেকোনও সময়ে ভারত যে কোনও হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত বলে জানা গিয়েছে সেনা সূত্রে। খবর ইতিমধ্যেই গ্যাংটক ও কালিম্পং ডিভিশনের সেনা ট্রুপের স্থান পরিবর্তন করছে ভারতীয় সেনা। সেনার গোপন সূত্রের খবর, চিনের প্রত্যেকটি হুঁশিয়ারির মোকাবিলা করার জন্য তৈরি এদেশের সেনা জওয়ানরা।

    English summary
    India and China continue to militarily reinforce their positions with the almost two-month long troop standoff in Doklam showing little signs of de-escalation, even as the Army on Thursday denied it had ordered evacuation of some villages near the Sikkim-Bhutan-Tibet tri-junction.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more