চিন সীমান্তে 'আক্রমণাত্মক-রক্ষণ' নীতি ভারতের, মোতায়ন আরও ৫০ হাজার সেনা
চিন সীমান্তে 'আক্রমণাত্মক-রক্ষণ' নীতি ভারতের, মোতায়ন আরও ৫০ হাজার সেনা
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন আমি 'পাকিস্তান'-কে পাকিস্তানের ভাষায় জবাব দেওয়া পছন্দ করব৷ সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও এয়ার স্ট্রাইকে নিজের কথা রেখেছেন মোদী। তবে পাকিস্তানের পর এবার চিনের পালা৷
চিন সীমান্তে এতদিন রক্ষণাত্মক নীতি নিত ভারত৷ সেখান থেকে সরে 'অফেন্সিভ ডিভেন্স' নীতি নিচ্ছে ভারত। এবার আর শুধু নিজেদের সীমান্তরক্ষা নয়। প্রয়োজন পড়লে চিনে ঢুকে জায়গার দখল নেওয়ার জন্য প্রস্তুত ভারত৷

কংগ্রেস আমলে চিন সীমান্ত
১৯৬২ তে চিনে যুদ্ধে প্রস্তুতিহীন ভারতীয় সেনাকে পিছু হঠতে হয়। তারপর থেকে বহুবছর চিনের আক্রমণ প্রতিহত করার নীতি নিয়েই আকসাই চিন থেকে অরুণাচলে সেনা মোতায়ন করত ভারত। সেনা থেকে যুদ্ধ বিমান,আন্তর্জাতিক কূটনীতির প্রয়োগে ভারতের সীমানায় চিনা অনুপ্রবেশে বাধা দিত দেশ। দেশের সেনাবাহিনীকে সেরকমই রক্ষনশীল নীতির নির্দেশ থাকত কেন্দ্র থেকে৷

মোদীর 'নতুন ভারত' সীমান্ত নীতি'
কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই চিন নিয়ে দেশের রক্ষণশীল নীতির বিরোধিতা করতেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ মোদী সরকার কেন্দ্রে আসার পর ডোকলামে চিনা সেনাকে পিছু হঠতে বাধ্য করে ভারতীয় সেনাবাহিনী৷ আন্তর্জাতিক মানচিত্রে যা ভারতের নীতি অনেকটাই স্পষ্ট করেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে গালওয়াল ভ্যালির ভারত-চিন সংঘর্ষ বুঝিয়ে দিয়েছি এবার শুধু প্রতিরোধ নয় পাল্টা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ভারতীয় সেনা৷

ভারত-চিন সীমান্তে নতুন কী পরিবর্তন?
২০১৪ থেকে ধাপে ধাপে চিন সীমান্তে সেনা ও যুদ্ধাস্ত্র বাড়িয়েছে ভারত৷ এবার আবারও ফাইটার জেট এবং ৫০০০০ সেনা চিন সীমান্তে পাঠাল ভারত৷ গতবছরই ভারতের অন্যতম শক্তিশালী T-90 ট্যাঙ্ক, ভীষ্মকেও চিন সীমান্তে এনেছিল ভারত৷ এবার রাফালয়ের মতো যুদ্ধ বিমান চিন সীমান্তে মোতায়ন করা হল। বর্তমানে ভারত চিন সীমান্তে মোট ২ লক্ষ সেনা মোতায়ন করা হয়েছে৷

গালওয়ানের ধাক্কা পর প্রস্তুতি নিচ্ছে চিনও
সম্প্রতি চিনা সংবাদমাধ্যম ও দেশের গোয়েন্দা সূত্রে একটি খবর সামনে আসে৷ উঁচু এবং বরফে ঢালা হিমালয় এলাকায় পরিবেশ ও জলবায়ুর সঙ্গে লড়াই করে যুদ্ধ করতে সক্ষম হবে এরকম সেনাবাহিনী বানাচ্ছে চিন৷ তীব্বতের যুবকদের এই বাহিনীতে নিয়োগ করে বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে৷ এই বাহিনীর নাম মিমাং চেতন রেখেছে চিন। এই মিমাং চেতন-রা চিনের লাল ফৌজের কাছে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে৷ এবং মিমাং চেতনদের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রথম ব্যাচ ইতিমধ্যেই চিন ভারত সীমান্তে নেমে পড়েছে।












Click it and Unblock the Notifications