করোনার আঘাত সামলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারতের অর্থনীতি, নেগেটিভ সরিয়ে স্থিতিশীল র্যাঙ্ক দিল Moodys
করোনার আঘাত সামলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারতের অর্থনীতি, নেগেটিভ সরিয়ে স্থিতিশীল র্যাঙ্ক দিল Moodys
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা মুডিজ ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির রেটিং-কে নেতিবাচক থেকে স্থিতিশীল দেখিয়েছে। এর ফলে ভারত বিএএ-৩ রেটিংও কিছুটা ইতবাচক দিকে এগিয়েছে। গত বছর করোনার প্রকোপে থাকায় দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি অনেকটাই হ্রাস হয়েছিল। সেই সময় ভারতের বিএএ রেটিং ৩ এ নামিয়েছিল মুডিজ৷ বাস্তব অর্থনীতি ও অর্থনৈতিকব্যবস্থার দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের কারণেই এই স্থিতিশীল এসেছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷

মুডি'স ইনভেস্টরস সার্ভিস গত বছর ভারতের সার্বভৌম রেটিং 'বিএএ২' থেকে 'বিএএর' এ নামিয়ে দিয়েছিল। ওই সময় সংস্থাটির বক্তব্য ছিল ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি হ্রাস এবং অবনতিশীল আর্থিক অবস্থার জন্য বিভিন্ন আর্থিক পরিকল্পনার বাস্তবায়নে প্রচুর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে৷ কিন্তু ২০২১ এ জুনে ভারতের জিডিপি কিছুরা উর্ধ্বমুখী হওয়স শুরু করেছে৷ ফিসকাল ঘাটতি ও ঋণের পরিমাণও কমতে শুরু করেছে৷ এরই ফলে অক্টোবরের শুরুতেই মুডিজ র্যঙ্কিংয়ে উন্নতি হল দেশের, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷
মুডিজ, ফিচ রেটিং, এস অ্যান্ড পি-র মতো আন্তর্জাতি অর্থনৈতিক রেটিং সংস্থাগুলি এর আগেই জানিয়েছিল, এপ্রিল ২০২০ থেকে মার্চ ২০২১-এ ভারতের অর্থনীতির বৃদ্ধির হার কমবে চার থেকে পাঁচ শতাংশ। একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে এটি দেশের (ভারতের) স্বাধীনতার পর চতুর্থ বড় অর্থনৈতিক-মন্দার আকার নেবে। ১৯৯১ এর এলপিজি মডেল প্রয়োগের পর ভারতীয় অর্থনীতির এটিই সবচেয়ে খারাপ সময় ।
কোভিডের সেকেন্ড ওয়েভ আসার আগেই আর্ন্তজাতিক সংস্থা মুডিজ জানিয়েছিল ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতি ১৩.৯ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয়ও ওয়েভে ভয়ঙ্কর রূপ নেওয়ার পর সেই বৃদ্ধির হার কমিয়ে ৯.৬ শতাংশকে বৃদ্ধির সম্ভাব্য সংখ্যা জানিয়েছিল মুডিজ।
যদিও ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ভারতীয় অর্থনীতি ৩.৭ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। আবার চলতি অর্থবছরের এপ্রিল থেকে জুনে অর্থনীতি ২০.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মুডিজের প্রেডিকশন ছিল মার্চ ২০২২ -এ শেষে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৯.৩ শতাংশ দাঁড়াবে৷
মুডিজের এই নতুন রেটিংয় যে সাময়িকভাবে ভারতীয় বাজারকে স্বস্তি দেবে তা বলাই যায়৷ চলতি বছরে এপ্রিল-জুলাইয়ে কেন্দ্রের রাজস্ব ঘাটতি পুরো বছরের বাজেটের অনুমানের মাত্র ২১.৩ শতাংশে নেমে এসেছিল। প্রধানত ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ এবং কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব সংগ্রহের কারনেই এটা সম্ভব হয়েছিল। করোনার প্রথম ওয়েভের অর্থবছরের একই সময়ে, ঘাটতি ছিল বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার ১০৩ শতাংশ। বাজেটের অনুমানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, কেন্দ্র ঘোষণা করেছে যে চলতি বছর অক্টোবর থেকে মার্চ ২০২২ সময়কালে ৫.৩ লক্ষ কোটি টাকা ধার নেওয়া হবে। পাশাপাশি সরকার ২০২১-২২ অর্থবর্ষের জন্য ঋণের মোট লক্ষ্যমাত্রা ১২.৫ লক্ষ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে।
-
বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে ভোটের আগে বিতর্ক, তৃণমূল প্রার্থীর শংসাপত্র নিয়ে হাই কোর্টে বিজেপি প্রার্থীর চ্যালেঞ্জ -
শোকস্তব্ধ বিজয়গড়! ছেলের শোকে ভেঙে পড়েছেন রাহুলের মা, কেমন আছেন পরিবারের বাকিরা? -
মমতা আইনের ঊর্ধ্বে নন, কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে মন্তব্য শুভেন্দুর, তুললেন গুরুতর অভিযোগ -
তৃণমূলের ধাক্কা! মুখ্যসচিব-সহ আধিকারিক অপসারণের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ করল হাই কোর্ট, কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল -
আজও বাংলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, কোন জেলাগুলি ভিজবে? কী বলছে হাওয়া অফিস? জানুন আবহাওয়ার লেটেস্ট আপডেট -
সকালেই বিজ্ঞপ্তি, রাতের মধ্যেই মনোনয়ন জমা, রাজ্যে ভোটের আবহে তৎপর প্রার্থীরা -
নজরে পুরসভাগুলি, ভবিষ্যৎ মনে করিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া নির্দেশিকা কাউন্সিলরদের জন্য -
ইরানের হুমকি! এপ্রিলের শুরু থেকেই হামলা হতে চলেছে গুগল-অ্যাপল সহ ১৮টি মার্কিন কোম্পানিতে -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
বিশ্বখ্যাত আইটি সংস্থায় একলপ্তে ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাই, ভারতে কাজ গেল ১২ হাজার জনের -
'রাজ্যে কার্যত রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছে'! মোদী ও শাহকে কড়া আক্রমণ মমতার, কী বললেন? -
এবার একটা বড় খেলা হবে, নানুরে মন্তব্য মমতার












Click it and Unblock the Notifications