পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ, চিনের পাঠানো ৫০ হাজার নিম্নমানের পিপিই কিট বাতিল করল ভারত
করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা যে সব স্বাস্থ্যকর্মী করছেন তাঁদের কাছে নেই পর্যাপ্ত পরিমাণে পিপিই। কারণ সরকারের কাছে এই পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্টের অভাব রয়েছে। এ বিষয়ে ভারতকে সহায়তা করেছে চিন। কিন্তু কেন্দ্র সরকারের এক শীর্ষস্তরের সূত্র থেকে জানা গিয়েছে যে চিনের পাঠানো সব পিপিই কিট খারাপ বেড়িয়েছে সে কারণে তা বাতিল করা হয়েছে। ওই কিটগুলির গুণগত মান অত্যন্ত নিম্নমানের বলে জানা গিয়েছে।

পিপিই কিটের গুণগত মান খারাপ
সূত্রের খবর, বিশ্বে এইসব জিনিসের বড় উৎপাদক হল চিন। কিন্তু তারা ভারতকে নিম্নমানের কিট পাঠিয়েছে যা গুণগত মানের পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। ১.৭ লক্ষ টাকা ৫০ হাজার কিট খারাপ বেড়িয়েছে। পিপিই-এর গুণগত মান প্রসঙ্গে ভারতে চিনের দূতাবাসের পক্ষ থেকে জি রং জানিয়েছেন, সম্প্রতি চিনের প্রশাসন এ বিষয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে এবং প্রশাসনের শংসাপত্র রয়েছে এমন সব সংস্থাই এ ধরনের কিট তৈরি করে ও তা রপ্তানি করে বিভিন্ন দেশে। তিনি বলেন, ‘ভারতের মতো আরও কিছু দেশ রয়েছে যারা এই সমস্ত পিপিই কিটের দাবি পূরণের জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলের মধ্য দিয়ে গিয়েছে আর আমরা শংসাপত্র রয়েছে এমন সংস্থাকে সুপারিশ করব।' তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা রাখব যে বিদেশি ক্রেতারা চিনের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের শংসাপত্র দেখে পণ্য বাছাই করবে এবং পণ্য আমদানি করার সময় উৎপাদন যোগ্যতা যাচাই করে নেবে।'

চিনের পাঠানো কিট পরীক্ষা হয় ডিআরডিও ল্যাবে
বৃহস্পতিবারও ভারত বহু-অপেক্ষিত পাঁচ লক্ষ টাকার র্যাপিড কোভিড-১৯ টেস্টিং কিট চিনের কাছ থেকে পেয়েছে। একটি রিপোর্টে জানা গিয়েছে যে এই কিটগুলি ভারত সরকারকে চিন অনুদান দিয়েছে। এই বিষয়ে ওয়াকিবহল এক আধিকারিক বলেন, ‘৩০ হাজার টারার দু'টি ছোট ও ১০ হাজার টাকার একটি পিপিই কিট, দুটোই পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়।' রিপোর্টে এও বলা হয়েছে যে এই কিটগুলি গোয়ালিয়ারের ডিআরডিও ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। সরকারী কর্মকর্তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছিলেন যে তাদের কেবল সিই / এফডিএ শংসাপত্র রয়েছে এমন পিপিই কিট চাই, অন্যদিকে চিন থেকে যে চালান এসেছে তা অনুদান। ওই আধিকারিক বলেন, ‘যে সব কিটগুলি এফডিএ/সিই অনুমোদিত নয় সেগুলিকে ভারতে পাস করতে হয়।'

মে মাসের শেষে ভারতে আসবে ১ লক্ষ বডি স্যুট
বস্ত্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ১৮ মার্চ দেশে স্বাস্থ্য পেশাদারদের সুরক্ষামূলক পরিধানের উপলব্ধি মূল্যায়ন করার জন্য যে বৈঠক করা হয়েছিল, সেই বৈঠক অনুসারে কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। মন্ত্রকের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে বডি কভার ও এন-৯৫ মাস্কের অভাব রয়েছে। সেই অভাব পূরণের জন্য সিঙ্গাপুরের একটি সংস্থাকে ভারত ১ মিলিয়ন স্যুটের বরাত দিয়েছে। যদিও সব স্যুট চিনের মাধ্যমেই আসবে। জানা গিয়েছে মে মাসের শেষের প্রথম সপ্তাহে এই স্যুটগুলি হাতে পাবে ভারত।












Click it and Unblock the Notifications