Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

জনগণনা ২০২৭ এর জন্য অর্থ অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, কত খরচ জানেন?

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেছেন যে ২০২৭ সালে জনগণনা অনুষ্ঠিত হবে। এর ভিত্তি তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ মার্চ, ২০২৭-এর ঠিক মধ্যরাত। এই দশবার্ষিক জনশুমারি পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা শুক্রবার ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে। অশ্বিনী বৈষ্ণব একটি সাংবাদিক সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত জানানোর সময় জনগণনাকে "ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন" বলে উল্লেখ করেছেন।

ভারতে সর্বশেষ জনশুমারি ২০১১ সালে সম্পন্ন হয়েছিল। তবে, কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে ২০২১ সালের জনগণনা স্থগিত করা হয়। এখন সরকার নিশ্চিত করেছে যে পরবর্তী জনগণনা ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হবে। যার ভিত্তি তারিখ থাকবে ১ মার্চ, ২০২৭।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারত দেড়শো বছরেরও বেশি সময় ধরে জনগণনার রেকর্ড সংরক্ষণ করে আসছে। যা এই ঐতিহাসিক তথ্যভাণ্ডারের ধারাবাহিকতা ও অপরিহার্যতা তুলে ধরে। ২০২৭ সালের এই জনশুমারি হবে স্বাধীন ভারতের অষ্টম এবং সামগ্রিকভাবে ১৬তম জনগণনা।

এই জনগণনা সমগ্র জনসংখ্যাকে অন্তর্ভুক্ত করবে এবং আবাসন, সুযোগ-সুবিধা, শিক্ষা, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ, অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে গ্রাম, শহর ও ওয়ার্ড-ভিত্তিক বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করবে। জনগণনা আইন, ১৯৪৮ এবং জনগণনা বিধি, ১৯৯০ দ্বারা এই প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে।

মন্ত্রী বৈষ্ণব আরও জানান যে, ২০২৫ সালের ১৬ জুন গেজেটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জনগণনাটি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে। প্রথম পর্যায়, 'বাড়ি তালিকাভুক্তিকরণ এবং আবাসন জনগণনা', ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সুবিধা অনুযায়ী ৩০ দিনের সময়কালে অনুষ্ঠিত হবে।

দ্বিতীয় পর্যায়টি হল 'জনসংখ্যা গণনা', যা ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে হবে। তবে, লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের বরফাবৃত অঞ্চলে জলবায়ুগত সীমাবদ্ধতার কারণে তা ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

এই আসন্ন জনগণনা হবে ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনশুমারি। এতে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় প্ল্যাটফর্মে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং নতুন বিকশিত 'জনগণনা ব্যবস্থাপনা ও পর্যবেক্ষণ সিস্টেম (সিএমএমএস)' পোর্টালের মাধ্যমে রিয়েল টাইমে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

'হাউস লিস্টিং ব্লক ক্রিয়েটর' ওয়েব ম্যাপ টুল এবং 'স্ব-গণনা'র মতো নতুন উদ্ভাবনও চালু করা হচ্ছে। এছাড়া, 'সেনসাস-অ্যাস-এ-সার্ভিস (CaaS)' মন্ত্রকগুলিকে পরিষ্কার, মেশিন-পঠনযোগ্য ও কার্যকর বিন্যাসে তথ্য সরবরাহ করবে।

এর আগে মন্ত্রিসভার রাজনৈতিক বিষয়ক কমিটি ২০২৭ সালের জনগণনায় জাতিগত গণনার অন্তর্ভুক্তিকরণে অনুমোদন দিয়েছে। স্বাধীন ভারতের দশবার্ষিক জনগণনায় এই প্রথম জাতিগত তথ্য বৈদ্যুতিনভাবে সংগ্রহ করা হবে জনসংখ্যা গণনার পর্যায়কালে।

২০২৭ সালের জনগণনার জন্য দেশব্যাপী সচেতনতা, সর্বাত্মক অংশগ্রহণ, অন্তিম স্তরের সংযুক্তি এবং মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের সমর্থনে একটি সুনির্দিষ্ট ও ব্যাপক প্রচার অভিযান চালানো হবে। এটি সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী তথ্য ভাগ করে নেওয়ার উপর জোর দেবে, যা সুসংহত ও কার্যকর জনসংযোগের প্রচেষ্টা নিশ্চিত করবে।

এই বৃহৎ কার্যক্রমে প্রায় ৩০ লক্ষ তৃণমূল পর্যায়ের কর্মী অংশ নেবেন। যার মধ্যে গণনাকারী, সুপারভাইজার, মাস্টার প্রশিক্ষক এবং রাজ্য ও জেলা স্তরের আধিকারিকরা অন্তর্ভুক্ত। অধিকাংশ গণনাকারী, যারা মূলত সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, নিয়মিত কাজের পাশাপাশি জনগণনার দায়িত্ব পালন করবেন। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের জন্য সকল তৃণমূল স্তরের কর্মীকে সাম্মানিক দেওয়া হবে।

জনগণনাটি ১.০২ কোটি কর্মদিবস তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ডিজিটাল কার্যক্রম, ডেটা হ্যান্ডলিং ও পর্যবেক্ষণে সহায়তা করার জন্য প্রায় ৫৫০ দিনের জন্য ১৮,৬০০ জনেরও বেশি কারিগরি কর্মী নিযুক্ত করা হবে। সরকার জানিয়েছে, এটি সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও অবদান রাখবে এবং জড়িতদের ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা উন্নত করবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+