ঝাড়খণ্ড নির্বাচন: ঝাড়খণ্ড জনজাতির মেয়ে বিয়ে করলেও বাংলাবেশি অনুপ্রবেশকারীর জমির অধিকার মিলবে না, দাবি শাহের
ঝাড়খণ্ডের প্রচারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার তাঁর বক্তব্যে উঠে এল বাংলাদেশ অনুপ্রবেশকারী ইস্যু। সোমবার এই ইস্যুকে আরও নাড়িয়ে দিলেন বিজেপির সেকেন্ড ইন কমান্ড। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ঝাড়খণ্ডের জনজাতি কন্যাদের বিয়ে করলেও জমির অধিকার পাবে না৷
সোমবারের সভা থেকে জেএমএম ও কংগ্রেসের জোটকেও নিশানা করেছেন অমিত শাহ। সরাইকেলায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ৷ আর সেখানেই বসতি স্থাপন। সেই এলাকার মেয়েদের বিয়ে করে সংসার পাতা। একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অনুপ্রবেশ ইস্যুকে বিজেপি জোর দিয়েছে নির্বাচনী প্রচারে।

অমিত শাহ এদিন অনুপ্রবেশ নিয়ে বড় বার্তা দিলেন। বিজেপি ঝাড়খণ্ডে ক্ষমতায় এলে এই ইস্যুতে আইন আনা হবে৷ কমিটি গঠন করা হবে। অনুপ্রবেশকারীদের কোনওভাবেই জমি দখল করতে দেওয়া হবে না। ঝাড়খণ্ডের মেয়েদের বিয়ে করে পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের জমি দখল করছে। অনুপ্রবেশকারীদের থেকে জমি উদ্ধার করা হবে৷
অমিত শাহ দুর্নীতি ইস্যুতেও নিশানা করেছেন ঝাড়খণ্ডের শাসক শিবিরকে। কংগ্রেস - জেএমএম নেতারা দুর্নীতিগ্রস্থ। এই দুর্নীতি এবার বন্ধ হওয়া উচিত। মানুষের রায়ে বিজেপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে নামা হবে। সকলকে জেলে পাঠানো হবে। এই বার্তা মানুষের কাছে রাখা হচ্ছে।
চম্পাই সোরেন এখন বিজেপির মুখ। তিনি একসময় হেমন্ত সোরেনের অন্যতম বিশ্বাসযোগ্য সঙ্গী ছিলেন। হেমন্ত জেলে যাওয়ার আগে চম্পাই সোরেনকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়। হেমন্ত শর্মা জামিনে মুক্ত হয়ে বেরিয়ে আসতেই ফের রদবদল হয়। চম্পাই সোরেনকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফের ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন হেমন্ত সোরেন। এই ঘটনা ভালো ভাবে গ্রহণ করেননি চম্পাই। মাস কয়েক আগে শিবির বদলে তিনি বিজেপি যোগ দেন।
এদিন সেই প্রসঙ্গও উঠে এসেছে শাহ বক্তব্যে৷ ওই ঘটনা কেবল চম্পাই সোরেনের অপমান নয়। জনজাতি সম্প্রদায়ের অপমান ওই ঘটনা। দাবি করেছেন অমিত শাহ।












Click it and Unblock the Notifications