ঘৃণার মন্তব্যে 'নিঃশব্দের সাক্ষী'! সরকারকে 'দিশা' দিল সুপ্রিম কোর্ট
ঘৃণার মন্তব্যে 'নিঃশব্দের সাক্ষী'! সরকারকে 'দিশা' দিল সুপ্রিম কোর্ট
ঘৃণার মন্তব্য ছড়িয়ে ফায়দা নিচ্ছে এক বা একাধিক রাজনৈতিক দল। এই অভিযোগ বারে বারে উঠেছে। এবার সেই মন্তব্য নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ। দেশের সর্বোচ্চ আদালত বলেছেন ঘৃণার মন্তব্য বিষের মতো। যা দেশের সামাজিক কাঠামোর ক্ষতি করছে। এটি থেকে রাজনৈতিক দলগুলি মূলধন তৈরি করছে বলেও পর্যবেক্ষণ সর্বোচ্চ আদালতের। এব্যাপারে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।

সরকার কী ভাবছে
সুপ্রিম কোর্টের তরফে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, আইন কমিশনের সুপারিশ অনুসারে ঘৃণার মন্তব্য নিয়ে হওয়া বিপদের মোকাবিলায় কোনও আইন প্রণয়নের কথা ভাবছে কি সরকার? কেননা বর্তমান ব্যবস্থায় এই ধরনের ঘটনায় বাধা দেওয়া যাচ্ছে না।

সরকারকে 'দিশা'
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কেএম জোসেফ এবং হৃষিকেশ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এব্যাপারে কেন্দ্রকে বলেছে, তাদের নিঃশব্দ সাক্ষী হওয়া উচিত নয়। সমস্যার সমাধানে সরকারের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন তাঁরা। দুই বিচারপতির বেঞ্চ আরও বলেছে, বিষয়টিকে তুচ্ছ বলে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। যেভাবে কর্মক্ষেত্রে যৌন শোষণ নিয়ে বিশাখা মামলা ছিল, সেই রকমই আদেশ ও নির্দেশিকার মাধ্যমে বিষয়টির মোকাবিলা করা সম্ভব বলেও জানিয়েছে আদালত।

টিআরপির জন্য ঘৃণার মন্তব্য নয়
টেলিভিশন চ্যানেলগুলি এবং তাদের অ্যাঙ্কররা অনুষ্ঠান পরিচালনার সময় ঘৃণার মন্তব্য ছড়ান বলেও বিরক্তি প্রকাশ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের তরফে, এই ধরনের মন্তব্য যাতে প্রচার না করা হয়, তার জন্য অ্যাঙ্করদের দায়িত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিল। টিআরপির জন্য এই ধরনের বার্তা ছড়ানোর সঙ্গে জড়িতদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছিল সর্বোচ্চ আদালত। সর্বোচ্চ আদালতের তরফে বলা হয়, জনগণকে বুঝতে হবে কোনও ধর্মই ঘৃণার প্রচার করে না। সবাই দেশের নাগরিক, যেখানের ঘৃণার কোনও স্থান নেই।

ঘৃণার মন্তব্যের কোনও সংজ্ঞা নেই
তবে একথা বলে রাখা ভাল বর্তমান আইনে ঘৃণার মন্তব্য কোনটি, তার কোনও সংজ্ঞা নেই। কিংবা কীভাবে এই ঘৃণার মন্তব্যকে বাধা দেওয়া হবে, তাও বলা হয়নি। তবে পুলিশের হাতে ১৫৩এ এবং ২৯৫ ধারা রয়েছে। যেখানে সম্প্রদায়ের মধ্যে উস্কানি দেওয়া এবং অসন্তোষের মোকাবিলার কথা বলা হয়েছে।
তবে এই ঘৃণার মন্তব্যে সুবিধাভোগীরা যে রাজনীতিবিদরাই তা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে আদালতে। রাজনৈতিক দলগুলি যে এর থেকেই পুঁজি তৈরি করছে তাও বলা হয়েছে।
আইন কমিশনের তরফে ভারতীয় দণ্ডবিধিতে ১৫৩সি ধারা ঢোকানোর সুপারিশ করা হয়েছে। যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়ের নিরিখে যদি কোনও ঘৃণার মন্তব্য করা হয়, তাহলে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকার জরিমানার কথা বলা হয়েছে।
-
ভোটার তালিকায় ‘অদৃশ্য' নাম! কমিশনকে তোপ দাগলেন মমতা, উত্তরবঙ্গের মঞ্চে চড়ল রাজনৈতিক পারদ -
প্রচার ঘিরে রণক্ষেত্র বাসন্তী! বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ, আহত পুলিশকর্মীরাও, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, আটক ৮ -
বীরভূমে মঞ্চে তোপ মমতার, ভোটাধিকার নিয়ে কড়া বার্তা বিজেপিকে -
রাম নবমীতে শান্তির বার্তা ও শুভেচ্ছা মমতার, উৎসব ঘিরে রাজ্যজুড়ে কড়া নজরদারি -
ভোটের আগে বড় চাল! তৃণমূলের বিরুদ্ধে চার্জশিট আনছেন অমিত শাহ, কবে প্রকাশ? ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবেন বিজেপি কর্মীরা -
হামলা যতই বাড়ুক, জয় তৃণমূলেরই, পাণ্ডবেশ্বরে আক্রমণাত্মক মমতা -
ভোটের আগে বড় ইঙ্গিত! জনমত সমীক্ষায় এগিয়ে তৃণমূল, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাই প্রথম পছন্দ -
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র! রিখটার স্কেলে কম্পনমাত্রা ৭.৬, জারি সুনামির সতর্কতা -
বিদায় হরিশ রানা! শেষ হল ১৩ বছরের যন্ত্রণাময় অধ্যায়, স্মৃতিতে রয়ে গেল অনেককিছু -
মধ্যপ্রাচ্যে সঙ্কট! অবশেষে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ফোন করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প -
SIR: রাতে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, কীভাবে দেখতে পাবেন অনলাইনে? -
ইরান-আমেরিকা সংঘাতে নতুন মোড়! যুদ্ধ কী থামার পথে? 'বড় উপহার' নিয়ে নতুন দাবি ট্রাম্পের, জল্পনা তুঙ্গে








Click it and Unblock the Notifications