সিআইএসএফ-কয়লা পাচারকারী সংঘর্ষে মৃত ৪! আশঙ্কাজনক অবস্থায় ২ জন ভর্তি হাসপাতালে
সিআইএসএফ এবং কয়লা পাচারকারীর সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪ জনের মৃত্যু। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ২০০ কিমি দূরে, জেলার বাহমারা থানা এলাকার ডেনিডিহ এলাকায়। এই ঘটনায় আহত ২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
সিআইএসএফ এবং কয়লা পাচারকারীর সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪ জনের মৃত্যু। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ২০০ কিমি দূরে, জেলার বাহমারা থানা এলাকার ডেনিডিহ এলাকায়। এই ঘটনায় আহত ২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে এদিন বেলা বারোটার কিছু পরে। ধানবাদের এসপি (গ্রামীণ) রেশমা রমেসান সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ডিউটিতে থাকা সিআইএসএফ কর্মীরা কয়লা চোরদের থামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় কয়লা চোররা সিআইএসএফ-এর জওয়ানদের লক্ষ্য করে পাথ বৃষ্টি করে। পরিস্থিতি নিয়্ন্ত্রণে আনতে সিআইএসএফ গুলি চালায় বলে দাবি করেছেন তিনি। ধানবাদের এসপি (গ্রামীণ) আরও জানিয়েছেন, গুলিতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে আর দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
প্রতিদিনের মতো বাইকে করে কয়েক ডজন কয়লা চোর KKC প্রধান সাইডিংয়ে পৌঁছেছিল। তারপরেই সিআইএসএফ জওয়ান ও কয়লা চোরদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। কর্তব্যরত সিআইএসএফ জওয়ানরা চারজনকে গুলি করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ। এরপরই ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। কয়লা চোরেরা সাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। অভিযোগ, সিআইএসএফ এর চার চাকার গাড়িও ভাঙচুর করেছে কয়লা চোরেরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বাগমারা, বরোরা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। নিহত চারজনই স্থানীয় গ্রামবাসী বলে জানা গেছে। মৃত চারজনের মধ্যে রয়েছেন প্রীতম চৌহান, সাহাজাদা আনসারি, আলতাফ আনসারি, সুরজ চৌহান। গ্রামবাসীদের হট্টগোল এড়াতে সিআইএসএফ কয়লা চোরদের মৃতদেহগুলিকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়। এমন কী ঘটনাস্থল থেকে রক্তের দাগ মুছে ফেলার জন্য CISF-এর পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হয়েছিল বলে আভিযোগ। মৃতদের স্বজনরা বিচারের আর্জি জানিয়েছেন। এদিন গুলিতে মৃত্যুর পরে কয়লা চোরের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, পরিবারের কোনও আয় না থাকায় বাধ্য হয়ে কয়লা চুরিতে যুক্ত হয়েছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এই ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications