সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরকে শেষ বিদায় জানাতে সমবেত ভক্তরা, উপচে পড়া ভিড় শ্রোতাদের
সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরকে শেষ বিদায় জানাতে সমবেত ভক্তরা
সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি সঙ্গীত থেকে বলিউড ইন্ডাস্ট্রি। তাঁর মৃতুতে চোখে জল দেশবাসীর। আজ সকালে দেশবাসীকে কাঁদিয়ে পরলোক গমন করলেন সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। গায়িকার শেষ বিদায় ও শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর ভক্তদের মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে এক সঙ্গে দেখা গেছে।

গায়িকার দেহ তাঁর বাসভবন থেকে শিবাজি পার্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানের তাঁর অগনিত ভক্ত তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন।
২৭ দিনের লড়াইয়ে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর। কোভিড আক্রান্ত হয়ে মুম্বাইয়ের ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালে গত ৮ জানুয়ারি ভর্তি হয়েছিলেন গায়িকা লতা মঙ্গেশকর। শনিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আবার আইসিইউতে রাখা হয়। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাও করা হচ্ছিল। কিন্তু রবিবার তিনি প্রয়াত হন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। সুর সম্রাজ্ঞীর মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া। শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী-সহ দেশের অগনিত ভক্ত।
সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের জন্ম ১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ভারতের মধ্যপ্রদেশে। পিতার নাম দ্বীননাথ মঙ্গেশকর ও মাতার নাম শিবন্তী মঙ্গেশকর। বিখ্যাত গায়িকা আশা ভোঁসলে গায়িকার ছোট বোন। তাছাড়াও তাঁর দুই বোন ও এক ভাই রয়েছেন।
গায়িকার পিতা দ্বীননাথ মঙ্গেশকর একজন মারাঠি ও কোঙ্কিণী সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি একজন অভিনেতাও ছিলেন। গায়িকার বাবা চাইতেন মেয়ে শুধু ধ্রপদী গান করুক। তাই ছেলেবেলায় বাড়িতে কে এল সায়গল ছাড়া আর কোন গান গাওয়ার অনুমতি তাঁর মেলেনি।
সুর সম্রাজ্ঞী এক হাজারেরও বেশি হিন্দি ছবিতে গান গেয়েছেন। তিনি ভারতের একজন স্বনামধন্য গায়িকা ছিলেন। তিনি গানে রেকর্ড গড়ে ছিলেন। ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষাতে ও বিদেশি ভাষায় গান একমাত্র তিনিই গেয়েছিলেন। নি গান গেয়ে ভারতরত্ন (২০০১), পদ্মবিভূষণ (১৯৯৯), দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার (১৯৮৯), মহারাষ্ট্রভূষণ পুরস্কার (১৯৯৭), এনটিআর জাতীয় পুরস্কার (১৯৯৯), পদ্মভূষণ (১৯৬৯) সালে পেয়েছিলেন। তাঁর সুন্দর গানে মুগ্ধ শ্রোতা। গায়িকার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সঙ্গীতমহল থেকে সকলে।












Click it and Unblock the Notifications