ঈশ্বর বিশ্বাসেই বাজিমাত! টাকার জোয়ারে ভাসছে রাজস্থানের এই মন্দির, প্রণামী বাক্স উপচে পড়ছে সোনায়
টাকার জোয়ারে ভাসছে রাজস্থানের এই মন্দির, প্রণামী বাক্স উপচে পড়ছে সোনায়
গত ফেব্রুয়ারি মাসেও খবরে এসেছিল রাজস্থানের এই মন্দির। মাত্র কয়েকদিনে সাত কোটি টাকার বেশি অনুদান তুলে গোটা দেশকে চমকে দিয়েছিল শ্রী শানওয়ালিয়া শেঠ মন্দির। এই মন্দির নিয়েই বর্তমানে জোর চর্চা চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। খবর পৌঁছেছে আন্তর্জাতিক মহলেও। এদিকে যুগের পালে যতই হাওয়া লাগুক, যতই বদল আসুক সমাজে ভারতে কিন্তু ধর্মবিশ্বাসে অনুদান, চাঁদা দিতে কেউ কার্পণ্য করেন না। ক্তদের চাঁদা যত বেশি, মন্দির-মসজিদ তত ফুলে ফেঁপে ওঠে।

ধর্ম বিশ্বাসেই বাজিমাত
আর এই রসায়ন কাজে লাগিয়েই বাজিমাত করছে শানওয়ালিয়া শেঠ মন্দির। গত ফেব্রুয়ারিতে শোনা যায় ভক্তরা মন্দিরে এত টাকা প্রণামী দিলেন যে দুদিন ধরে গুণে শেষ করা যায়নি। প্রণামী বাক্স ভরে উঠেছিল কোটি কোটি টাকায়। কয়েক ডজন লোক মিলেও দুদিনেরও বেশি সময় ধরে প্রমামীর বাক্সের টাকা গুনে শেষ করতে পারেনি বলে শোনা যায়। একসময় বাধ্য হয়েই হাল ছেড়ে দেন তারা। আর তারপরেই খবরে উঠে আসে এই মন্দির।

কী বলছে মন্দির কর্তৃপক্ষ
এমনকী ওই মাসে চতুর্দশীর দিন প্রণামী বাক্স খুলে শুধু টাকা নয়, প্রচুর সোনা এবং রূপোও পাওয়া যায় বলে জানিয়েছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। এদিকে করোনার কারণে, সরকারি নির্দেশিকা মেনেই চলে মন্দির ব্যবস্থাপনা। দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ ছিল দরজা, তবে তাতে যে নৈবেদ্যের অভাব ছিল না তা গত কয়েক মাসের পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট। সহজ ভাবে দেখতে গেলে করোনার কারণে জিডিপি যতই নীচে হোক, ঈশ্বর বিশ্বাসী মানুষের আজও অভাব নেই গোটা দেশে।

মন্দির ভাসছে টাকার জোয়ারে
ফেব্রুয়ারির ওই ঘটনার পরেও মন্দির ভেসে গিয়েছে টাকার জোয়ারে। এদিকে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী শুধু ফেব্রুয়ারি মাসেই ৭ কোটি নগদের পাশাপাশি ৫ কোটি ৪৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকার সোনা ও রূপোর অলঙ্কার পাওয়ার গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও ১ কেজি সোনার বিস্কুটও পাওয়া যায়। এদিকে প্রতি অমাবস্যাতেই এই রেকর্ড পরিমাণ প্রণামী জমা পড়ে মন্দিরে। অমাবস্যা উপলক্ষে পুরোহিতরা ভগবানকে স্নান করান এবং সোনার পোশাক পরিহিত করেন এবং ব্রহ্ম ভোজের আয়োজন করা হয়। ভোগ খেতে জড়ো হন অগনিত ভক্ত।

রয়েছে বিদেশি পর্যটকদের সমাগমও
যদিও করোনার কারণে গত কয়েক মাস এই কাজে ছেদ পড়েছে। পুজো হলেও ভক্তদের আনাগোনা অনেকটাই বন্ধ হয়েছে মন্দিক চত্বরে। যদিও দেশজুড়ে মানুষের শানওয়ালিয়া শেঠ জি-র প্রতি অগাধ বিশ্বাস রয়েছে। কোনও নতুন ব্যবসা শুরু হোক বা চাকরি, বহু মানুষের বিশ্বাস এখানে লাভের একটা অংশ দিলে আগামীতে আরও শ্রীবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। প্রচুর বিদেশি পর্যটকদের আগমনও রয়েছে এি মন্দিরে।












Click it and Unblock the Notifications