পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা শনিবারই, বাজল ভোটের বাদ্যি
পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট শনিবারই ঘোষণা করতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এদিন বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ গোয়া, পাঞ্জাব, মণিপুর, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে।
পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট শনিবারই ঘোষণা করতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এদিন বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ গোয়া, পাঞ্জাব, মণিপুর, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। সেইসঙ্গে লাগু হয়ে যাবে নির্বাচনী বিধি।

দেশে করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। তার মধ্যে যেমন বাংলায় পুরভোটের বাদ্যি বেজেছে। এবার ভোটবাদ্যি বাজতে চলেছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভায়। এদিনই দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার।
নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়লেও কোভিড-বিধি মেনে নির্ধারিত সময়েই ভোট হবে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভায়। সেইমতো উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পাঞ্জাব, গোয়া ও মণিপুরে ভোটের বাদ্যি বেজে যাবে। লাগু হবে আদর্শ আচরণ বিধি। ইতিমধ্যের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের মধ্যেই তৎপরতা শুরু হয়েছে। কিন্তু করোনার সংক্রমণে তা বাধার মুখে পড়ে।
এখন কবে ওই পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন ঘোষণা হয়, তা দিকে তাকিয়ে সব মহল। দেশের রাজনৈতিক মহলের বাড়তি নজর উত্তরপ্রদেশ ও পাঞ্জাবের ওপর। গোয়ার নির্বাচন নিয়েও এবার উত্তজেনার পারদ চড়েছে। তার পাশাপাশি উত্তরাখণ্ড ও মণিপুরের দিকেও নজর রাজনৈতিক মহলের।
২০২৪-এর আগে উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক সমীকরণ কোনদিকে মোড় নেয়, সেদিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। কেননা দেশের সবথেকে বড় রাজ্যের রাজনৈতিক গতিবিধি ও সমীকরণের উপর নির্ভর করে দেশের রাজনীতি। তাই এই রাজ্যের দিকে আগে থেকেই নজর দিয়েছে বিজেপি। এই রাজ্যে মূল লড়াই বিজেপির সঙ্গে সমাজবাদী পার্টির। কংগ্রেস চাইছে প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পেতে। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এ রাজ্যে মহিলাদের সামনে রেখে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। এছাড়া রয়েছেন বহুজন সমাজ পার্টির মায়াবতী। যোগী আদিত্যনাথ সরকাররে পক্ষে নাকি বিপক্ষে মত দেয় উত্তরপ্রদেশবাসী সেদিকেই লক্ষ্য ভারতের।
আর পাঞ্জাবে এবার কংগ্রেসের আধিপত্যে ভাগ বসাতে পারে কি না অন্য দল, তার দিকেও নজর থাকবে। কেননা এই রাজ্যে শাসকদল কংগ্রেসে আড়াআড়ি বিভাজন ঘটে গিয়েছে। কংগ্রেস ভেঙে বেরিয়ে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সি। তিনি নতুন দল গড়ে হাত মিলিয়েছেন বিজেপির সঙ্গে। আবার কংগ্রেসের কোন্দলের সুযোগ নিয়ে উত্থান হয়েছে আপেরও।
পাঞ্জাব ছাড়া চার রাজ্যের ক্ষমতায় বিজেপি। উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, গোয়া ও মণিপুরে বিজেপি সরকার চলছে। বিজেপি এই রাজ্যগুলিতে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে কি না সেটা যেমন দেখার, তেমনই দেখার বিরোধীদের মধ্যে কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয় কি না। গোয়ায় যেমন বাংলার তৃণমূল পা রেখেছে, তারা বিরোধী রাজনৈতিক সমীকরণ অন্য খাতে বইয়ে দিয়েছেন ইতিমধ্যেই।












Click it and Unblock the Notifications