প্রথম দফার ভোটের আগে বড় র্যালিতে না কমিশনের! তবে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
প্রথম দফার ভোটের আগে বড় র্যালিতে না কমিশনের! তবে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
এখনও দেশে করোনা সংক্রমণ আয়ত্তের মধ্যে আসেনি। প্রত্যেকদিনই কার্যত বাড়ছে সংক্রমণ। আর এই অবস্থায় পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলছে উত্তেজনার পারদ। তবে যেখানে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে সেখানে দাঁড়িয়ে ফের একবার করোনা বিধি কড়া করল কমিশন। আপাতত বড় ফিজিক্যাল র্যালির উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল কমিশন। র্যালির উপর এহেন নিষেধাজ্ঞা আগামী ১১ তারিখ পর্যন্ত বহাল থাকবে।

বড় র্যালি করার আর সময় থাকল না
আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম পর্যায়ের ভোট শুরু হচ্ছে। ফলে প্রথম দফা ভোটের আগে বড় র্যালি করার আর সময় থাকল না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহালমহল। যদিও কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞাতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নয়া নির্দেশ মোতাবেক, খোলা জায়গাতে যদি কোনও সভার আয়োজন করা হয় তাহলে ১০০০ লোক জমায়েত করতে পারবে। এছাড়াও ইনডোর মিটিংয়ের ক্ষেত্রে এখন থেকে ৫০০ লোক উপস্থিত থাকতে পারবে। এছাড়াও ডোর টু ডোর ক্যাম্পেনেও বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।

বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড়
কমিশনের করোনা সংক্রান্ত যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে এবার থেকে ডোর টু ডোর ক্যাম্পেনের ক্ষেত্রে ২০ জন লোক যেতে পারবে। বলে রাখা প্রয়োজন আজ সোমবার নির্বাচন কমিশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। রোড শো এবং র্যালি করা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে এই বৈঠক হয়। এই বৈঠকে উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, উত্তরাখন্ড, গোয়া এবং মনিপুরে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং স্বাস্থ্য সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

জরুরি বৈঠক কমিশনের
গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে রাজ্যগুলির করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট খতিয়ে দেখেন নির্বাচন আধকারিকারিকরা। উল্লেখ্য, এর আগে নির্বাচন কমিশন ২২ জানুয়ারি থেকে ফিজিক্যাল র্যালি এবং রোড শো-য়ের উপর নিষেধাজ্ঞা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছিল। সেই মতো কোনও ধরনের রোড শো, পদ যাত্রা, যে কোনও ধরনের র্যালির অনুমতি দেওয়া হয়নি। কিন্তু এই মুহূর্তে করোনা পরিস্থিতির যা হাল সেখানে দাঁড়িয়ে সমস্ত কিছু ছাড়ে অনুমতি দেওয়ার সাহস দেখাতে পারল না নির্বাচন কমিশন।

পাঁচ রাজ্যের ভোট প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী পাঁচ রাজ্যের ভোট প্রস্তুতি চলছে। করোনা পরিস্থিতি ভোট করানোটা রীতিমত চ্যালেঞ্জের বলে ঘোষণা করেছিল কমিশন। কড়া কোভিড বিধি থাকলেও কার্যত অনেক সময়েই বিধিকে অমান্য করেই চলছে জমায়েত। বিশেষ করে গত অয়েকদিন আগে অমিত শাহ মাস্ক না পড়ে একেবারে কোভিড বিধিকে অমান্য করে উত্তরপ্রদেশে ডোর টু ডোর প্রচার করতে দেখা গিয়েছে। যা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিরোধীরা। এর আগে অখিলেশ যাদব করোনা বিধিকে অমান্য করে ব্যাপক র্যালি করেন। তা নিয়ে কমিশনের তোপের মুখে পড়তে হয়। রাজনৈতিকমহলের মত, পশ্চিমবঙ্গ সহ অন্যান্য রাজ্যের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার অনেক বেশ সতর্ক জাতীয় নির্বাচন কমিশন।












Click it and Unblock the Notifications