করোনা মহামারির কারণে দেরি, এ বছর শুরু হতে পারে জনগণনার কাজ
এ বছর শুরু হতে পারে জনগণনার কাজ
করোনা ভাইরাস মহামারির দাপটে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল জনগণনা। তবে এ বছর জনগণনার আবাসনে পরিস্থিতি ও সুযোগ সুবিধা সংক্রান্ত কাজ শুরু হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। সরকার সংসদীয় প্যানেলের বোর্ডের সঙ্গে এ সংক্রান্ত পাঁচ–বছরের কার্যকলাপের তথ্য ভাগ করে নেবে বলেও জানায়।

জনগণনার প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে
স্বরাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির নেতৃত্বে থাকা কংগ্রেস সাংসদ আনন্দ শর্মা মন্ত্রকের জন্য অনুদানের দাবি সংক্রান্ত ওক রিপোর্টে জানিয়েছেন, জনগণনার কার্যক্রমের বিস্তৃত আইটেম-ভিত্তিক ও বছরের বন্টন অনুসারে, ২০২০-২১ সালে জনগণনা ও জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধকের (এনপিআর) জন্য মোবাইল অ্যাপ ও সিএমএমএস পোর্টালের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২১ সালের জনগণনার প্রথম পর্যায়ের ফিল্ড ওয়ার্ক কবে নাগাদ শুরু হবে সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কিছু স্থির হয়নি। তবে এই পর্যায়ে, আবাসনের পরিস্থিতি, গৃহস্থালির সুবিধা ও পরিবারের সম্পত্তির তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই পর্যায়ের জনগণনার কাজ শুরু হোয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে এবং তা চলত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু মহামারির কারণে সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।

কবে শুরু হবে জনগণনার কাজ
তবে ২০২২-২৩ সালের জনসংখ্যা গণনার কাজ কবে নাগাদ শুরু হতে পারে তা এখনও জানা যায়নি বা সরকারও কিছু ঘোষণা করেনি। যদিও মনে করা হচ্ছে জনসংখ্যা গণনার কাজ সম্ভবত ১ মার্চ থেকে ৫ মার্চের মধ্যে হতে পারে, যা হওয়ার কথা ছিল এ বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি। জনগণনার জটিল অংশটিও মহামারির কারণে হতে পারেনি। ২০২২-২৩ সালে জনসংখ্যা, ধর্ম, তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপতজাতি, ভাষা, শিক্ষা ও স্বাক্ষরতা, অর্থনৈতিক কার্যক্রম, অন্য দেশ থেকে আসা ব্যক্তি সহ জনগণনায় সব তথ্যই সংগ্রহ করা হবে।

কোন বছরে কি কি হবে
২০২৩-২৪ সালে অস্থায়ী জনগণনার তথ্য, প্রাথমিক জনগণনার সার (পিসিএ), গ্রাম স্তরের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত সহ তথ্য প্রকাশ করা হবে। ২০২৪-২৫ সালে জনগণনার টেবিল (২৫০টিরও বেশি টেবিল), জনগণনার তথ্য সহ কাস্টামাইজড ভিস্যুলাইজেশন টুল প্রকাশ করা হবে, এর পাশাপাশি অন্য জনগণনা সংক্রান্ত কার্যক্রমও প্রকাশিত হবে।

বরাদ্দ অর্থ হ্রাসের কারণ
কমিটি এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ২০২০-২১ সালের বাজেট পরিসংখ্যানে বরাদ্দ ৪,৫৬৮ কোটি টাকা থেকে হ্রাস পেয়ে তা ২০২১-২২ সালের বাজেট পরিসংখ্যানে ৩,৭৬৮.২৮ কোটি টাকায় নেমে যাওয়ার কারণ জানতে চায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জবাবে জানায় যে ২০২০-২১ সালের অধানের তহবিলগুলি ২০২১ সালে দু'টি পর্যায়ে হওয়া জনগণনার বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য রাখা হয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে বাড়ির তালিকা ও আবাসনের জনগণনা হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে জনসংখ্যা গণনা ২০২১ সালের ৯-২৮ ফেব্রুয়ারি হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে ১ মার্চ থেকে ৫ মার্চ করে দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications