অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের নিয়ে কড়া কেন্দ্র, ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করতে নির্দেশ রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে সব রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে অবৈধ বিদেশিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিয়েছে। এই সকল বিদেশিকে নির্বাসিত না করা পর্যন্ত তাদের জন্য বিশেষ আটক শিবির বা ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করতে বলা হয়েছে।
নির্দেশে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার, কেন্দ্রশাসিত প্রশাসন, জেলা কালেক্টর বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট একটি আদেশ জারি করে কোনও ব্যক্তিকে বিদেশি কিনা, তা নিশ্চিত করার জন্য ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের কাছে বিষয়টি পাঠাতে পারেন।

এই ট্রাইব্যুনাল কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক গঠিত হবে এবং সর্বোচ্চ তিনজন বিচার বিভাগীয় অভিজ্ঞ সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে। যদি কোনও ব্যক্তি নিজেকে বিদেশি নন প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন এবং জামিনের ব্যবস্থা করতে না পারেন, তবে তাকে আটক করে ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হবে।
MHA আরও জানিয়েছে যে, গুরুতর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত বিদেশিদের ভারতে প্রবেশ অথবা থাকার অধিকার দেওয়া নাও হতে পারে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশি ভারতের কোনও পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ করতে পারবেন না।
বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে যে, ভারতে কর্মসংস্থানের জন্য বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও, কোনও বিদেশি নাগরিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদ্যুৎ, জল সরবরাহ বা পেট্রোলিয়াম ক্ষেত্রের কোনও বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতে পারবেন না।
প্রতিরক্ষা, মহাকাশ প্রযুক্তি, পারমাণবিক শক্তি, মানবাধিকার বা এই ধরনের বিশেষ কোনও ক্ষেত্রে নিয়োজিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনও বিদেশি নিয়োগ করতে পারবে না।
অন্য একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নেপাল বা ভুটানের নাগরিকরা স্থল বা বিমানপথে ভারতে প্রবেশ করলে তাদের পাসপোর্ট বা ভিসার প্রয়োজন নেই। যদি তারা নেপাল বা ভুটান ছাড়া অন্য কোনও স্থান থেকে ভারতে প্রবেশ বা প্রস্থান করেন এবং তাদের বৈধ পাসপোর্ট থাকে, তবুও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
যারা ১৯৫৯ সালের পর কিন্তু ২০০৩ সালের ৩০ মে-র আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন এবং বর্তমানে এদেশে রয়েছেন, সেই তিব্বতীদের ক্ষেত্রেও এই বিধান কার্যকর হবে, যদি তারা সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তাদের কাছে নিবন্ধিত হন এবং নিবন্ধন সনদ পেয়ে থাকেন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, যেমন- হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টানদের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে। যারা ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন এবং ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ এর মধ্যে ভারতে প্রবেশ করেছেন, বৈধ নথি থাকুক বা না থাকুক, তারা এই সুবিধার আওতায় পড়বেন।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications