নাগাড়ে বৃষ্টি, জাতীয় রাজধানীতে ভাঙল গত ৫০ বছরে আবহাওয়ার রেকর্ড, জেনে নিন
দিল্লিতে গত কয়েকদিন ধরে নাগারে বৃষ্টি চলছে। আর এই বৃষ্টি ভেঙে দিয়েছে গত ৫০ বছরের রেকর্ড। তাপমাত্রা হু হু করে নেমে গিয়েছে। ১৯৬৯ সালের পর এই সময়ে সবথেকে কম রয়েছে দিল্লির সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। দিল্লিতে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এর ফলে সকাল ও রাতের যে তাপমাত্রার ফারাক কার্যত নেই বললেই চলে। যা রেকর্ড বলা মনে করা হচ্ছে।

সর্বোচ্চ সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ফারাক
দেশের রাজধানীর সর্বোচ্চ সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ফারাক মাত্র ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফারাক মাত্র ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যে দেখা যাচ্ছে ১৯৬৯ সাল থেকে ২০২২, এই ৫৩ বছরে সর্বনিম্ন। আগে এই তাপমাত্রার কম ফারাক হওয়ার যে রেকর্ড ছিল তা ছিল ৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেটাই এদিন ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

১৫ বছরের রেকর্ড
দিল্লিতে যে বৃষ্টি হয়েছে তায় গত ১৫ বছরের রেকর্ড। এমনটাই জানা গিয়েছে আবহাওয়া দফতর। রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত যা বৃষ্টি হয়েছে তা সেই কথাই বলছে। রাস্তায় জমে গিয়েছে জল। কারণ রবিবারও চলছে বৃষ্টি। তবে এই বৃষ্টি বাতাসের দূষণ কমিয়ে দিয়েছে অনেকটাই। সেটা কিছুটা স্বস্তিদায়ক সূচকে পৌঁছেছে। এটাই ঘটনা যে সারা মরসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামেনি দিল্লিতে যা নামে শনিবার।

ট্রাফিকের গতি ধীর
নাগাড়ে বৃষ্টি ট্রাফিকের গতি ধীরে করে দিয়েছে। কারণ অনেক স্থানেই জমে গিয়েছে জল। মানুষ রাস্তায় যেতে যেতে জল জমে থাকা রাস্তার ছবি পোস্ট করেছেন। তাতেই দেখা গিয়েছে যানজটের ছবিও। বিভিন্ন স্থান থেকে এইসব ছবি দেখা গিয়েছে।

বাংলায় আবহাওয়া
এদিকে আজ বাঙালির ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। কিন্তু বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই। আজও বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। সকালে রোদ ঝলমলে আকাশ হলেও বেলা বাড়তেই আকাশে উঁকি দেবে মেঘ। দু এক পশলা বৃষ্টিতে ভিজবে শহর থেকে জেলা এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। কাজেই মেঘ মুক্ত হবে না লক্ষ্মীপুজোও।
আজ ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। আর এই পুজোর আরাধনা দিয়েই এবারের মত পুজো পর্ব মিটবে। সকাল থেকেই তাই ঘরে ঘরে ব্যস্ততা তুঙ্গে। দোকানে বাজারে চলছে শেষ মুহূর্তের কেনা কাটা। তার সঙ্গে ঘরে ঘরে পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। সন্ধ্যে নামলেই শুরু হয়ে যাবে কোজাগরী লক্ষীর আরাধনা। তার আগে যে যতটা পারছেন ততটা কাজ গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। সকাল থেকে আবহাওয়াও সঙ্গ দিচ্ছে। রোদ ঝলমলে আকাশ দেখা দিয়েছে সকাল থেকে।












Click it and Unblock the Notifications