ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বেই হবে বিধানসভা ভোট, সিধুকে কোন বার্তা দিলেন হরিশ রাওয়াত
ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বেই হবে বিধানসভা ভোট, সিধুকে কোন বার্তা দিলেন হরিশ রাওয়াত
সিধু নয় সেই ক্যাপ্টেনের উপরেই ভরসা রাখল হাইকমান্ড। অমরিন্দর সিংয়ের নেতৃত্বেই পাঞ্জাবে বিধানসভা ভোটে লড়বে কংগ্রেস। জানিয়ে দিলেন হরিশ রাওয়াত। সিধুকে পাঞ্জাবের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে। এই নিয়ে প্রথম থেকেই বিরোধ তৈরি হয়েছিল অমরিন্দরের সঙ্গে। শেষ পর্যন্ট ক্যাপ্টেন সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে মেনে নিয়েছিলেন। অমরিন্দরকে সরিয়ে অন্য কাউকে নেতৃত্বে বসানোর ঝুঁকি হাইকমান্ড নিতে রাজি নয়।

পাঞ্জাব ভোটে নেতৃত্বে ক্যাপ্টেন
সেই অমরিন্দরই হবে শেষ কথা। পাঞ্জাবের ২০২২ সালের বিধানসভা ভোটের নির্বাচনের নেতৃত্বে ক্যাপ্টেনকেই বেছে নিয়েছে হাইকমান্ড। তাঁকে সরানোর সব আবেদনই খারিজ করে দিয়েছেন হরিশ রাওয়াত। অমরিন্দরকে সরানোর দাবিতে হাইকমান্ডের কাছে নালিশ ঠুকেছিলেন রাজ্যের চার মন্ত্রী। ত্রিপত রাজিন্দর সিং বাজওয়া, সুখবিন্দর সিং সরারিয়া, সুখজিন্দর সিং রান্ধওয়া এবং চরঞ্জিত সিং চান্নি হরিশ রাওয়াতের সঙ্দে দেরাদুনে এই নিয়ে বৈঠক করেছিলেন। অমরিন্দরের বিরোধিতায় জোট বেঁধেছেন এই চার মন্ত্রী। প্রায় ২৪ জন বিধায়ক দাবি করেছেন তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অমরিন্দর সিংয়ের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। তাই ভোটে আর তার নেতৃত্ব চাইছেন না। ক্যাপ্টেনকে সরিয়ে অন্যকাউকে নেতৃত্বে আনতে চাইছেন তাঁরা।

অমরিন্দরে আস্থা নেই
তাঁর দলের একাধিক বিধায়ক হাইকমান্ডের কাছে নািলশ ঠুকেছেন। তাঁরা অভিযোগ করেছেন অমরিন্দর ভোট প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পােরন নি। ড্রাগ মাফিয়াদের গ্রেফতার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন িতনি। তার কোনওটাই তিনি করেননি। বিদ্যুৎ কেনার চুক্তিও বাতিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তার কোনওটাই পূরণ করতে পারেননি অমরিন্দর সিং। কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে অমরিন্দরের বিরুদ্ধে নালিশ জানাবেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এক কথায় অমরিন্দরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একাধিক বিধায়ক। কিন্তু সেই সব বিদ্রোহ একেবারে সমূলে উৎপাটন করেছেন হরিশ রাওয়াত। এবং স্পষ্ট করে দিয়েছেন ২০২২ সালের বিধানসভা ভোট ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বেই লড়বে কংগ্রেস।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সিধু
ক্যাপ্টেনের দাপট নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাইকমান্ড সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে বসিয়েছে। প্রথম থেকেই সিধুর সঙ্গে অমরিন্দরের সাপে নেউলে সম্পর্ক। অমরিন্দর কিছুতেই িসধুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি মানতে রাজি ছিলেন না। এই নিয়ে ক্যাপ্টেনের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা সেরেছেন হরিশ রাওয়াত। ক্যাপ্টেন কিন্তু প্রতিবারই সিধুর বিরোধিতা করেছেন। অমরিন্দরের একটাই শর্ত ছিল সিধু প্রকাশ্য তাঁর বিরুদ্ধে যেসব কটূ কথা বলেছে তার জন্য তাঁকে প্রকাশ্য ক্ষমা চাইতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে ক্ষমা চাইতে হবে। তবেই তিনি মেনে েনবেন সিধুকে। সিধুর বিরোধিতায় সোনিয়া গান্ধীর কাছেও নালিশ জানিয়েছিলেন তিনি। চিঠি লিখে সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করার বিরোধিতা করেছিলেন তিনি।

প্রদেশ সভাপতি পদে সিধু
অমরিন্দরের শত বিরোধিতা সত্তেও কংগ্রেস হাইকমান্ড সিধুকে পাঞ্জাবের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচিত করে। পাঞ্জাবের কংগ্রেসের সদর দফতরে একটি টি পার্টিতে আলোচনা সভা করেন তিনি সেখানে অমরিন্দর সিংও উপস্থিত ছিলেন। অমরিন্দরের আশির্বাদ নিয়েই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদের দায়িত্ব নেন। এই নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। সকলে মনে করেছিলেন হয়তো সমস্যা মিটে গিয়েছে। কিন্তু অমরিন্দর স্পষ্ট করে দেন যে যতদিন না সিধু ক্ষমা চাইছেন ততদিন সম্পর্ক উন্নতি হবে না। তবে সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে তিনি মেনে নিয়েছেন কেবল মাত্র দলের স্বার্থে।












Click it and Unblock the Notifications