• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কয়েক হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে নামী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা

তথ্য–প্রযুক্তি শীর্ষ সংস্থা কগনিজেন্ট টেকনোলজি সলুউশন কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে তারা তাদের কনটেন্ট মডারেশন ব্যবসা বন্ধ করে দিতে চলেছে। যার প্রভাব পড়বে ৬ হাজার চাকরির ওপর। শুধু তাই নয় সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধ্য–উচ্চস্তরের কমপক্ষে সাত হাজার কর্মীকে কয়েক মাসের মধ্যেই ছাঁটাই করে দেওয়া হবে।

কগনিজেন্ট বন্ধ করতে চলেছে ব্যবসা

ফেসবুকের অন্যতম বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করার জন্য পরিচিত কগনিজেন্ট তার কনটেন্ট মডারেশন ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পরই সংস্থা এই ব্যবসা বন্ধ করে দিচ্ছে।

জানা গিয়েছে, বেশ কিছু তদন্তের পর মডারেটরসদের ফেসবুকে কাজের পরিবেশ ঠিক নয় এবং এই কাজ তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে বলে প্রশ্ন ওঠে। তারপরই কগনিজেন্ট এই ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এই ব্যবসা যে সংস্থার আর্থিক ক্ষতি করতে পারে তা একপ্রকার মেনে নিয়েছে কগনিজেন্ট।

সংস্থার মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কারেন ম্যাকলফলিন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এটি চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা মেনে চলবে এবং ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকদের সঙ্গে এগিয়ে গিয়ে সংস্থার পথ সুগম করবে। হা্যদরাবাদে কগনিজেন্টের ৫০০ কর্মী বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয়গুলি নিয়ে ভিডিও করেন ফেসবুকে। এঁরাই মডারেশন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ফেসবুক বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের কনটেন্ট সম্পাদনা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে।

মডারেটরের পাশাপাশি কগনিজেন্ট তাদের আরও দু’‌টি ইউনিট থেকে মোট সাত হাজার মধ্য–উচ্চ স্তরের কর্মীদেরকে ছাঁটাই করবে বলে জানা গিয়েছে। তবে সংস্থা জানিয়েছে যে তারা পাঁচ হাজার কর্মীকে পুনরায় সংস্থায় নিয়োগ করবে। এটি একরকমভাবে সংস্থার রণকৌশল বলে অনেকেই ভাবছেন। এই ছাঁটাইয়ের ফলে সংস্থা ৫০০ মিলিয়ন ডলার ২০২১ সালে বাঁচিয়ে রাখতে পারবে। যা সংস্থার লাভ বলেই মনে করা হচ্ছে।

English summary
Cognizant announced that it will exit its content moderation business
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more