দুর্গাপুজোর আগে উৎসবের মরশুমের জন্য জারি হল কেন্দ্রের কোভিড গাইডলাইন, একনজরে বিধি
দুর্গাপুজোর আগে উৎসবের মরশুমের জন্য জারি হল কেন্দ্রের কোভিড গাইডলাইন, একনজরে বিধি
কেন্দ্রের বার্তয় ইতিমধ্যেই স্পষ্ট যে তৃতীয় করোনা স্রোতের আশঙ্কার মাঝে কোনও রকমের ঝুঁকি নিতে নারাজ সরকার। করোনার তৃতীয় স্রোতের আতঙ্ক ও উদ্বেগ অব্যাহত দেশে।ষ এর আগে বহু সমীক্ষা দাবি করে যে, অগাস্টের শেষ থেকেই দেশে আছড়ে পড়বে করোনার তৃতীয় স্রোত। মূলত দ্বিতীয় স্রোতর আগে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রবল উত্থান পতন দেখা গিয়েছিল। তারপরই হানা দেয় সেকেন্ড ওয়েভ। এদিকে, বর্তমানে কয়েকদিন ধরেই করোনার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় বেশ উত্থান পতন দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, কেন্দ্রের তরফে করোনার প্রকোপ বন্ধ করতে একাধিক বিধি লাগু করা হয়েছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, দুর্গাপুজোর আগে উৎসবের মরশুমে জন্য জারি করা কেন্দ্রের করোনা বিধি।

জমায়েত
ইতিমধ্যেই ২১ সেপ্টেম্বর সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে স্ট্র্যান্ডার্ড অফ প্রসিজিওর জানানো হয়েছে। এছাড়াও এদিন স্পষ্ট করে কেন্দ্র জানিয়েছে যে , যে সমস্ত জায়গায় কন্টেইনমেন্ট জোন বা করোনার পজিটিভিটি ৫ শতাংশের বেশি, সেখানে জমায়েত করা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রশাসনিক তৎপরতার কথা বারবার উল্লেখ করেছে কেন্দ্র। এদিকে, এদিনের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে সারা দেশে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ১৮৭ দিন পরে নেমেছে। সেই জায়গা থেকে উৎসেবর মরশুমে করোনা পরিস্থিতি কোনদিকে যায় , তা নিয়ে রয়েছে নানান আশঙ্কা।

জমায়েতে লাগবে আগাম অনুমতি
কোথাও কোনও ধরনের জমায়েত করতে গেলে আগে লাগবে, প্রশাসনিক অনুমতি। স্থানীয় পরিস্থিতির বিচারে এই জমায়েত করতে হবে। উল্লেখ্য, উৎসবের মরশুমে দুর্গাপুজো থেকে কালীপুজোতে একাধিক আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। বহু জায়গয় এই পুজো আয়োজন ঘিরে জন সমাবেশ হতে পারে বলে মেন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ২৫ থেকে ৩০ হাজারের ঘরের আশপাশে দেখা যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে দর্গাপুজো ও কালীপুজোর পর দেশের করোনা গ্রাফ কোনদিকে যাবে তা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা।

বিধি শিথিলতা সম্পর্কে তথ্য
করোনা পরিস্থিতিতে কঠোর বিধি শিথিলতা নিয়ে বিবেচনা করা যেতে পারে প্রতি সপ্তাহের করোনার পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে। ফলে করোনা পরিস্থিতিতে সাবধানতা অবলম্বন জরুরি উৎসবের মরশুমেও। শুধু শিথিলতাই নয় যদি প্রয়োজন হয় , তাহলে সাপ্তাহিক করোনা পরিসংখ্যানের নির্ভর করে নতুন করে করোনা বিধি লাগুও করতে পারে প্রশাসন। সেক্ষেত্রে উৎসবের মরশুমে একাধিক বিভি নিষেধ আরোপিত হতে পারে। উল্লেখ্য, মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যবহারে বারবার জোর দেওয়ার কথা বলে আসছে সরকার। সেই জায়গা থেকে জন জাগরণ প্রয়োজন বলে মনে করছেন বহু বিশেষজ্ঞ।

কেরল ,মহারাষ্ট্র উদ্বেগে রাখছে
কেন্দ্র বলছে, এখনও করোনার দ্বিতীয় স্রোতের দাপট পুরোপুরি কাটেনি। এরই মাঝে মহারাষ্ট্র ও কেরলের আক্রান্তের সংখ্যা বহুবিধভাবে চিন্তায় রাখছে। উল্লেখ্যস কেন্দ্র জানিয়েছে, কেরল ও মহারাষ্ট্রে এখনও করোনার জেরে প্রবল হারে স্পাইক দেখা যেতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহেই দেশের মোট আক্রান্তের ৬২.৭ শতাংশ কেস দেখা গিয়েছে কেরলে। এরফে দেশের ৩৩ টি জেলায় ১০ শতাংশ পজিটিভিটি রেট দেখা গিয়েছে যা নিঃসন্দেহে একটি বড় দিক। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই কেরলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজারের ঘর ছাড়িয়ে যায় দৈনিক। সেক্ষেত্রে ওনমের মতো উৎসহ কেরলে সম্পন্ন হতেই উদ্বেগ বাড়তে থাকে।












Click it and Unblock the Notifications