Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

গর্ভাবস্থা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী সেই মহিলারই! অস্বাভাবিক ভ্রুণের গর্ভপাতের অনুমতি বম্বে হাইকোর্টের

কোনও মহিলা তাঁর গর্ভাবস্থা চালিয়ে যাবেন কিনা, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র অধিকার তাঁরই রয়েছে। এব্যাপারে মেডিক্যাল বোর্ড কিংবা অন্য কেউ সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এমনটাই জানিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট।

কোনও একজন মহিলা গর্ভাবস্থা চালিয়ে যাবেন কিনা, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র তাঁরই। এমনটাই পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের। ৩২ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় থাকা মহিলার আবেদনের প্রেক্ষিতে এই পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের।

ভ্রুণ অস্বাভাবিক হওয়ায় আবেদন

ভ্রুণ অস্বাভাবিক হওয়ায় আবেদন

ভ্রুণের বেশ কিছু অস্বাভাবিকতা রয়েছে, এই প্রমাণ নিয়ে এক বিবাহিত মহিলা গর্ভপাতের অনুমতি চেয়ে বম্বে হাইকোর্টে আবেদন করেন। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শিশু শারীরিক এবং মানসিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করবে বলে সোনোগ্রাফি রিপোর্টে জানানো হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল ভ্রুণ মাইক্রোসেফালি এবং লিসেনসেফালি ভুক্ত। তারই প্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি গৌতম প্যাটেল এবং বিচারপতি এসজি ডিগে ২০ জানুয়ারি এই রায় দেন। যা এদিন সংবাদ মাধ্যমের হাতে এসেছে।

মেডিক্যাল বোর্ডের মতামত উপেক্ষা

মেডিক্যাল বোর্ডের মতামত উপেক্ষা

এব্যাপারে বম্বে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ মেডিক্যাল বোর্ডের মতামতকে উপেক্ষা করেছেন। কেননা মেডিক্যাল বোর্ড বলেছিল যদিও ভ্রুণের বেশ কিছু অস্বাভাবিকতা রয়েছে, তবুও যেহেতু গর্ভাবস্থা একেবারের শেষ সময়ে রয়েছে, সেই কারণে গর্ভপাত উচিত হবে না।

 সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী সেই মহিলা

সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী সেই মহিলা

ভ্রুণের অস্বাভাবিকতার ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় সময় কোনও বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। আবেদনকারী জেনে বুঝেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান বিচারপতিদ্বয়। তাঁরা বলেছেন, এটা সহজ সিদ্ধান্ত না হলেও, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী সেই মহিলা। দুই বিচারপতির বেঞ্চ বলেছেন, এক্ষেত্রে মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নেই। শুধুমাত্র দেরির কারণে কোনও একটি অস্বাভাবিক ভ্রুণের গর্ভপাত না করা হলে সারাজীবন সেই মহিলা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাবেন। সেই কারণেই এই অধিকার মায়ের রয়েছে। তাঁর সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করা যায় না, বলেছেন বিচারপতিরা। তাঁরা বলেছেন, মা জানেন এই প্রসবের পরে সুস্থ শিশুর জন্মের কোনও সম্ভাবনা নেই। বম্বে হাইকোর্ট বলেছে, মেডিক্যাল বোর্ডের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ কার অর্থ শুধু অস্বাভাবিক শিশুর জন্ম দেওয়াই নয়, আবেদনকারী ও তাঁর স্বামীকে অসুখী জীবনের দিকে ঠেলে দেওয়া। শারীরিক এবং মানসিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্মানো শিশুর যে প্রভাব পরিবারের ওপরে পড়ে তা কল্পনা করা যায়না বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতিরা।

নারীর অধিকারে আপস নয়

নারীর অধিকারে আপস নয়

এই রায় দিতে গিয়ে বম্বে হাইকোর্ট বলেছে নারীর অধিকারের সঙ্গে কখনই আপস করা উচিত নয়। বিষয়টি নিয়ে কখনই চোখ বন্ধ করে থাকা যায় না। বিচারপতিরা বলেছেন জন্মের সময় কী সমস্যা হবে তা অনুমান করা যায় না। তবে মাইক্রোসেফালিক শিশুদের নিয়মিত ফলোআপ এবং চেকআপ করা প্রয়োজন। এর কোনও নিরাময়জনিত চিকিৎসা নেই। অন্যদিকে লিসেনসেফালি হল শিশুদের মস্তিস্কের বিকৃতির পূর্বাভাস। বম্বে হাইকোর্টের বেঞ্চ বলেছে, এব্যাপারে মেডিক্যাল বোড দম্পতির সামাজিক ও আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আনেনি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+