Arvind Kejriwal: বিজেপির কটাক্ষ পিআর স্টান্ট, কংগ্রেস বলছে গিমিক! কেজরির পদত্যাগের কারণে সহমত যুযুধান ২ শিবির
Arvind Kejriwal: অরবিন্দ কেজরিওয়াল জামিন পাওয়ার দুই দিন পরেই জানিয়ে দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা। বিজেপি একে বলছে পিআর স্টান্ট।
কংগ্রেস কেজরির সিদ্ধান্ত গিমিক বলেই মনে করছে। বিজেপি ও কংগ্রেস- দুই যুযুধান শিবিরেরই দাবি, কেজরিওয়াল জামিনের শর্তেই পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন।

কেজরির জেলমুক্তির বিষয়কে তীব্র কটাক্ষ করে ভিডিও প্রকাশ করে বিজেপি দাবি করেছে, বিষয়টি হলো সামনে রসগোল্লা, কিন্তু তা ছোঁয়া যাবে না। কেজরি সুপ্রিম কোর্ট থেকে যে শর্তে জামিন পেয়েছেন তাতেই তাঁর পক্ষে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকা সম্ভব নয় বলে দাবি বিজেপির।
বিজেপি মনে করছে, যে কড়া শর্তে কেজরিওয়াল জামিন পেয়েছেন তাতে আম আদমি পার্টিও উৎসবে মাতার জায়গায় নেই। বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারী বলেছেন, কেজরির ঘোষণা পিআর স্টান্ট ছাড়া কিছু নয়। তাঁর কথায়, দিল্লির মানুষজন কেজরিকে সৎ বলে মানেন না, তাঁদের চোখে কেজরি আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত।
প্রদীপ ভাণ্ডারি বলেন, আম আদমি পার্টিকে দুর্নীতিগ্রস্ত দল বলে মনে করে গোটা দেশ। কেজরিওয়াল সোনিয়া গান্ধী মডেলে পিছনে থেকে সরকারের কলকাঠি নাড়ার পরিকল্পনা করেছেন। আসন্ন নির্বাচনে আপ দিল্লিতে হারবে। এখন সেই হারের দায় কারও ঘাড়ে চাপানোর জন্য বলির পাঁঠা খোঁজা হচ্ছে।
বিজেপি নেতা মনজিন্দর সিং সিরসার কথায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই কেজরি বুঝে গিয়েছেন তাঁর মুখ্যমন্ত্রী পদে বসা হচ্ছে না। তিনি দিল্লির মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার আশা করছেন। নিজের স্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী করতে বিধায়কদের বোঝাচ্ছেন। কিন্তু লোকসভা ভোটে দিল্লির ভোটাররা আপকে সব আসনে হারিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁদের মনোভাব।
বিজেপি নেত্রী শাজিয়া ইলমির কথায়, কেজরিওয়ালের পাঁচ মাস আগেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল। যখন তিনি জেলে ছিলেন। তিনি সহানুভূতির প্রত্যাশায় পদত্যাগের কথা শোনাচ্ছেন। দিল্লির মানুষ সব বুঝতে পারছেন।
কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দীক্ষিত বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আছে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে যেতে পারবেন না। কোনও সরকারি নথিতে সই করতে পারবেন না। ফলে কেজরিওয়ালের ঘোষণা গিমিক ছাড়া কিছু নয়। শীর্ষ আদালতও মনে করছে, অপরাধীর মতো কেজরি তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications