National Highways: রাস্তা ফাঁকা পেলেও জোরে ছোটানো যাবে না গাড়ি! চালকদের জন্য বড় ঘোষণা কেন্দ্রের
National Highways: ফি বছর ভারতে বেড়েই চলেছে সড়ক দুর্ঘটনা (Road Accidents)। সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩৯ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনাই জাতীয় সড়কে ঘটে। ২৩ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে রাজ্য সড়কগুলিতে (State Highways)। এমতাবস্থায় জাতীয় সড়কগুলিতে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র।
ইচ্ছে হলেই ফাঁকা রাস্তা পেয়ে স্পিড বাড়ানো যাবে না এবার থেকে। সড়ক পরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে, এবার থেকে জাতীয় সড়ক ও এক্সপ্রেসওয়ে (Expressways) গুলিতে প্রতি ১০ কিলোমিটার অন্তর থাকতে হবে গতি নিয়ন্ত্রণ (Speed Limits) করার সতর্কবার্তা।

গাড়ির চিহ্ন দিয়ে দিয়ে বড় বড় করে স্পিড লিমিট আঁকা থাকবে প্রতি ১০ কিলোমিটার অন্তর। রাস্তার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি প্রতি ১০ কিলোমিটারে চালকদের সতর্কবার্তা পোঁছে দিতে ওই ছবিগুলি আঁকার দায়িত্বে থাকবেন। এসংক্রান্ত একটি নির্দেশিকাও জারি করেছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রক।
চলতি সপ্তাহে জারি হওয়া এই নির্দেশিকায় এক্সপ্রেসওয়ে ও জাতীয় সড়কগুলিতে ট্র্যাফিক সংকেতের বিষয়ে পূর্ণ গাইডলাইন ঘোষণা করা হয়েছে। তবে তা আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হবে। ট্র্যাফিক সংকেতগুলি সম্পর্কে যেন চালকদের সম্যক ধারণা থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই গাইডলাইনে।
এক্সপ্রেসওয়ে বা জাতীয় সড়কগুলিতে বর্তমানে যে ট্র্যাফিক সংকেতগুলি রয়েছে, তা রাস্তার একধারে ও ছোট হওয়ার কারণে চালকরা নজরই দেন না। প্রায় সময়ই তা উপেক্ষা করে গতি বাড়িয়ে চলে যান চালকরা। সেই দিকটি মাথায় রেখেই এবার সড়ক পরিবহন মন্ত্রক কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে।
প্রতি ১০ কিলোমিটার অন্তর অন্তর যেমন সংকেত থাকবে, ৫ কিলোমিটারের মধ্যে বড় বড় সাইনবোর্ড লাগানোরও নির্দেশ দিয়েছে নিতিন গডকড়ির মন্ত্রক। তবে শুধু গতি কমানোর সংকেতই নয়। প্রতি ৫ কিলোমিটার অন্তর নো পার্কিং সাইনবোর্ড ও এমার্জেন্সি হেল্পলাইন নম্বরও দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।
প্রসঙ্গত, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে লোকসভায় গত শীতকালীন অধিবেশনেই পরিসংখ্যান পেশ করেছিলেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গডকড়ি। প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ১ লক্ষ ৭৮ হাজার জীবনহানি ঘটে বলে জানান তিনি।
শুধু তাই নয়, সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতদের সিংহভাগই ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সের মধ্যে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বছরের শুরুতে ৫০ শতাংশ দুর্ঘটনা কমানোর কথা বলেছিলাম, কিন্তু ২০২৪ শেষে দেখা যাচ্ছে উল্টে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়ে গিয়েছে।
মন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যান (Road Accidents data) অনুযায়ী ২০২৪ সালে সবচেয়ে বেশি মারণ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র ও মধ্যপ্রদেশে। মহানগরগুলির মধ্যে দিল্লিতে সবেচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এরপরে রয়েছে বেঙ্গালুরু ও জয়পুর।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications