বড় খবর! অন্য সংস্থার হাত ধরেও তৈরি হবে কোভ্যাক্সিন, টিকা উৎপাদনে গতি আনতে নয়া সিদ্ধান্ত
বড় খবর! অন্য সংস্থার হাত ধরেও তৈরি হবে কোভ্যাক্সিন, টিকা উৎপাদনে গতি আনতে নয়া সিদ্ধান্ত
করোনাকালে যখন টিকা সঙ্কটে ভুগছে গোটা দেশ তখন বারবারই টিকা স্বত্ব সর্বজনীন করার দাবী উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। এদিকে বর্তমানে দেশে মাত্র দুটি সংস্থা সিরাম ইন্সস্টিটিউট ও ভারত বায়োটেক দেশে টিকা তৈরি করছে। সব মিলিয়ে প্রতিমাসে গড় ৭ থেকে ৮ কোটি টাকা প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। এই কাজে গতি আনতেই এবার কোভ্যাক্সিন তৈরিতে ইচ্ছুক সংস্থাদের পাশে পেতে চাইল কোভ্যাক্সিন।

টিকা স্বত্ব সর্বজনীন করার জোরদার দাবি দেশজুড়ে
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইণ্ডিয়ান ইন্সস্টিটিউট মেডিকেল রিসার্চ বা আইসিএমআর-র সঙ্গে যৌথ উদ্যেগেই করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন প্রস্তুতিতে হাত লাগিয়েছিল ভারত বায়োটেক। কিন্তু বর্তমানে দেশে দ্বিতীয় পর্বের করোনা ঢেউয়ে টিকার আকার সর্বত্রই। দেশে যে পরিমাণ চাহিদা রয়েছে সেই পরিমাণ টিকা নেই স্পষ্টতই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এমতাবস্থায় টিকার তৈরির কৌশল, উপাদান এবং সর্বোপরি স্বত্ব একাধিকবারসর্বজনীন করার জন্য কিছুদিন আগেই জোরদার দাবি করেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

কী বলছেন নীতি আয়োগের সদস্যরা ?
অন্যদিকে ভারত বায়োটেক ও কেন্দ্র দুজনেই যে বর্তমানে কোভ্যাক্সিনের টিকা ইচ্ছুক সংস্থাদের দিয়ে তৈরি করাতে প্রস্তুত তা শুক্রবার জানিয়েছেন এক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা। এই প্রসঙ্গে নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পাল বলেন, " অনেকেই বলছেন কোভাক্সিন অন্য সংস্থাগুলিকে বড় মাত্রায় উৎপাদনের জন্য দেওয়া উচিত। আমি এই কথাটি বলতে পেরে খুশি যে কোভাক্সিন উৎপাদনকারী সংস্থা ভারত বায়োটেকের সাথে এই বিষয়ে কথা হয়েছে। তার এই কাজে সাহায্য করতে সর্বত ভাবে প্রস্তুত।"

বিশেষ ল্যাবেই করোনা টিকা তৈরি সম্ভব, বলছেন বিশেষজ্ঞরা
এই প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, " মূলত বায়োসেফটি লেভেল ৩ সুবিধা যুক্ত ল্যাবেই এই টিকা তৈরি সম্ভব। সব প্রস্তুতকারকের কাছে এই সুবিধা নেই। তা যাদের কাছে আছে তারা যদি চায় কোভ্যাক্সিন তৈরি করতে তবে আমরা সকলকেই আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। তবে এই কাজ ভারত বায়োটেকের সঙ্গে একযোগে করতে হবে। তবে উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কেন্দ্র সমস্তরকম সহযোগীতা করতে প্রস্তুত রয়েছে। "

ডিসেম্বরের মধ্যেই তৈরি হবে ২০০ কোটি টিকা ডোজ ?
এদিকে দিন যত গড়াচ্ছে গোটা দেশে ক্রমেই তীব্র হচ্ছে টিকা সঙ্কট। পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে গোটা দেশে করোনা টিকাকরণ চললেও এখনও পর্যন্ত টিকা পেয়েছেন মাত্র ১৮ কোটি মানুষ। তারমধ্যে করোনা টিকার দুটি ডোজই পেয়েছেন মাত্র ৪ কোটি মানুষ। যদিও কেন্দ্রের দাবি এই হাহাকার খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে। এমনকী আগামী অগাস্ট থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ২০০ কোটি টিকা ডোজ তৈরি হয়ে যাবে বলেও আশাবাদী কেন্দ্র।












Click it and Unblock the Notifications