চূড়ান্ত টিকাকরণের আগে ভারতের এই চার রাজ্যে কেন্দ্র শুরু করবে ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক কর্মসূচী
ভারতের এই চার রাজ্যে কেন্দ্র শুরু করবে ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক কর্মসূচী
কোভিড–১৯ ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক কর্মসূচী শুরু করা হবে দেশের চার রাজ্যে। শুক্রবার এমনটাই জানানো হয়েছে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে। জানা গিয়েছে যে করোনার টিকাকরণের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে অন্ধ্রপ্রদেশ, অসম, গুজরাত ও পাঞ্জাবে পরীক্ষামূলক কর্মসূচী করা হবে।

কি কি থাকছে এই কর্মসূচীতে
স্বাস্থ্য মন্ত্রক এ প্রসঙ্গে জানিয়েছে যে প্রত্যেক রাজ্যের দু'টি জেলায় এই পরীক্ষামূলক কর্মসূচী হবে এবং জেলা হাসপাতাল, শহর, বেসরকারি স্বাস্থ্য সুবিধা, গ্রামীণ এলাকা সর্বত্র এই কর্মসূচী করে দেখা হবে যে টিকাকরণের প্রস্তুতি কেমন হতে চলেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক এক বিবৃতি জারি করে বলেছে, ‘টিকার বন্টন, সংরক্ষণ, ও টিকাকরণের যাবতীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন স্বাস্থ্য আধিকারিক ও ভ্যাকসিন টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা। কেন্দ্রীয় সরকারের তৈরি কো-উইন অ্যাপ এবং টিকা প্রকলপের যাবতীয় খুঁটিনাটি খেয়াল রাখার জন্য তৈরি পরিচালন কমিটির প্রস্তুতি কতদূর তাও দেখা হবেএই কর্মসূচিতে।' ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর এই কর্মসূচী হবে বলে জানা গিয়েছে।

ভিড় পরিচালনা
এই পরীক্ষামূলক কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য হিমঘর ও পরিবহনের বন্দোবস্ত করা কোভিড ভ্যাকসিনের জন্য এবং পাশাপাশি মেডিক্যালকেন্দ্রগুলিকে কীভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হবে সে বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

ড্রাই রানকে স্বাগত পাঞ্জাবের
পাঞ্জাবের স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলবীর সিং সিধু বলেছেন, ড্রাই রানের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে যাবে করোনা ভাইরাসের টিকাকরণ যখন চালু হবে তখন কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। টিকা প্রদান কেন্দ্রের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও বুঝতে পারবে আগামী দিনে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে সুষ্ঠুভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি কোনও রকম বাধার সম্মুখীন হবে না।

টিকাকরণ শুরু হতে পারে জানুয়ারি থেকে
কেন্দ্র সরকার সূত্রের খবর ভ্যাকসিন রোল আউট পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এখনও পর্যন্ত ২৩৬০টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৭০০০ মেডিক্যাল অফিসার, ভ্যাক্সিনেটর, বিকল্প ভ্যাক্সিনেটর কোল্ড চেইন হ্যান্ডলার, সুপারভাইজার, ডেটা ম্যানেজার, আশা কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে। জানুয়ারি মাসের যে কোনও সপ্তাহ থেকেই দেশে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যেতে পারে বলেই জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। ইতিমধ্যে ভারতে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে ভারত বায়োটেক, সিরাম ও ফাইজার ইনক আবেদন জানিয়েছে। ভ্যাকসিনের প্রথম অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে স্বাস্থ্য কর্মী ও সামনের সারির কোভিড যোদ্ধারা।












Click it and Unblock the Notifications