• search

চিনের সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে কতটা প্রস্তুত ভারত, রয়েছে কি প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্র

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    চিন বা পাকিস্তানের সঙ্গে যদি হঠাৎই যুদ্ধ বেধে যায়, সেক্ষেত্রে কি আদৌ প্রস্তুত ভারতীয় সেনাবাহিনী? সংসদে পেশ করা ক্যাগ-এর রিপোর্টে কিন্তু সেনাবাহিনীর জন্য মজুদ গোলাবারুদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

    কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের পেশ করা রিপোর্টে বলা হয়েছে, যে পরিমাণ গোলাবারুদ মজুত রয়েছে, তা দিয়ে মাত্র ১০ দিনের চাহিদা মিটতে পারে।

    টানা যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় রসদ আছে কি সেনার


    রিপোর্টে বলা হয়েছে পুরোপুরি যুদ্ধে নামতে "ওয়ার ওয়েস্টেজ রিজার্ভ" হিসেবে ৪০ দিনের প্রয়োজনীয় অস্ত্র-গোলাবারুদ থাকা উচিৎ। বিভিন্ন কারণে সেনা ওই পরিমাণ কমিয়ে ২০ দিনের 'অপারেশনাল ওয়ার রিজার্ভ' করেছে। সেনাবাহিনীর ভাষায় 'মিনিমাম অ্যাকসেপ্টেবল রিক্স লেবেল' বজায় রাখা যাচ্ছে না। ৫৫ শতাংশ এমন গোলাবারুদ রয়েছে, যা দিয়ে ২০ দিন যুদ্ধ করা যাবে না। আবার ৪০ শতাংশ এমন গোলাবারুদ মজুত আছে, যা দিয়ে ১০ দিনও যুদ্ধ করা যাবে না। সব মিলিয়ে, সেনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ যেসব গোলাবারুদের মজুত রয়েছে যেগুলিতে মাত্র ১০ দিন কাজ চালানো সম্ভব। ক্যাগের রিপোর্টে খারাপ গোলাবারুদ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

    [আরও পড়ুন: ট্রেন সফরে যাত্রীরা কতটা বিষাক্ত খাবার ও দূষিত জল পান করেন, ক্যাগের চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট]

    টানা যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় রসদ আছে কি সেনার

    সেনার গোলাবারুদের অভাব নিয়ে এর আগেও, ক্যাগ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গোলাবারুদের অভাবে সেনার প্রশিক্ষণেও প্রভাব পড়েছে বলে জানানো হয়েছে রিপোর্টে।

    সিএজি-র রিপোর্টে নৌসেনার কার্যকলাপ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে, গত ১০ বছরে ৩৮ টি বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে যুদ্ধজাহাজ ও ডুবোজাহাজের ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু দুর্ঘটনা রোখার মতো কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

    এমন একটা সময় সিএজি এই রিপোর্ট প্রকাশ করল, যখন ডোকালাম নিয়ে চিন ভারতকে যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে এবং পাকিস্তান প্রতিদিনই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে কার্যত অঘোষিত যুদ্ধ চালাচ্ছে।

    English summary
    Ammunition stock of Indian Army will exhaust after 10 days of war, says CAG report

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more