• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

জে জয়ললিতার জীবনী একনজরে

  • By Ritesh
  • |

জয়ললিতা জয়রাম সকলের কাছে পরিচিত জে জয়ললিতা, কুমারী জয়ললিতা, জয়া, পুতরাচি থালাইভি সহ অনেক নামে। তবে যে ভালোবাসার নামটিতে তিনি সবচেয়ে খ্যাত তা হল 'আম্মা'। গোটা দক্ষিণ ভারতেই তিনি আম্মা নামে সকলের কাছে পরিচিত। আর তামিলনাড়ুতে তাঁকে নিয়ে যে ধরনের উন্মাদনা ও ভগবানসমতুল করে উচ্ছ্বাস তা দেশের আর কোনও রাজ্যের নেতা-নেত্রীর রয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

১৯৯১ সালে প্রথমবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন তিনি। এরপরে আরও চারবার মুখ্যমন্ত্রীর পদ সামলেছেন এই নেত্রী। শেষবার বিধানসভা ভোটে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হন ২০১৬ সালের মে মাসে। তবে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। দীর্ঘ রোগভোগের পর অবশেষে এক ইতিহাসের পরিসমাপ্তি ঘটল দক্ষিণ ভারতের রাজনীতির ইতিহাসে। জন্ম থেকে ছোটবেলায় বেড়ে ওঠা কেমন ছিল জয়ার তা দেখে নেওয়া যাক একনজরে।

মহীশূরে জন্ম

মহীশূরে জন্ম

১৯৪৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মহীশূরের (বর্তমানে কর্ণাটক) মাণ্ড্য জেলার পাণ্ডবপুরা তালুকের মেলুকোটেতে এক তামিল আইয়েঙ্গার ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম জয়রাম ও মায়ের নাম বেদবল্লী।

ঠাকুমার নামে নামকরণ

ঠাকুমার নামে নামকরণ

প্রথমে জন্মের সময়ে ঠাকুমার নাম অনুযায়ী জয়ার নাম কোমলাবল্লী রাখা হয়। বাহ্মণ প্রথা মেনে ২টি মোট নাম দেওয়া হয়। একটি পারিবারিক প্রথা মেনে ঠাকুমার নাম ও সঙ্গে আর একটি নিজের নাম। ১ বছর বয়সে জয়ললিতা বলে নামকরণ হয় জয়ার।

বাড়ির নামে জয়ার নাম

বাড়ির নামে জয়ার নাম

এই নামকরণের পিছনেও অদ্ভুত কাহিনি রয়েছে। মহীশূরে দুটি বাড়ি ছিল জয়ললিতার পরিবারের। একটি বাড়ির নাম ছিল 'জয়া নিবাস' ও অপর একটি বাড়িুর নাম ছিল 'ললিতা নিবাস'। দুটি মিলিয়ে নাম রাখা হয় জয়ললিতা।

বংশ পরিচয়

বংশ পরিচয়

জয়ললিতারা দুই ভাই বোন। বাবা জয়রাম ও বা বেদবল্লীর অপর সন্তানের নাম জয়কুমার। সে জয়ললিতার ছোট ভাই। জয়ার ঠাকুর্দা নরসীমা রঙ্গচারী মহীশূরের রাজা কৃষ্ণরাজা ওয়াদিয়ার চতুর্থর দরবারে চিকিৎসক ছিলেন। মায়ের বাবা অর্থাৎ জয়ার দাদু শ্রীরঙ্গম থেকে মহীশূরে চলে আসেন হিন্দুস্তান এরনোটিক্স লিমিটেডে চাকরি নিয়ে। এরপরই জয়ার বাবা-মায়ের বিয়ে হয়।

বাবার মৃত্যু

বাবার মৃত্যু

জয়ার জন্মের ২ বছর পরই বাবা জয়রাম মারা যান। এরপরই সংসার চালাতে কাজে নামতে হয় জয়ার মা বেদবল্লীকে। বিধবা বেদবল্লী বোন অম্বুজাবল্লীর সঙ্গে চলে আসেন মাদ্রাজে। এদিকে জয়া থেকে যান মহীশূরে। ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি কর্ণাটকেই দাদু-দিদার কাছেই ছিলেন।

তামিল সিনেমায় মায়ের প্রবেশ

তামিল সিনেমায় মায়ের প্রবেশ

অন্যদিকে মা বেদবল্লী চেন্নাইয়ে গিয়ে কিছুদিন কাজ করার পরে নাটক ও তামিল সিনেমায় মুখ দেখাতে শুরু করেন। পর্দায় তাঁর নাম ছিল সন্ধ্যা। ১৯৫৮ সালে জয়া পাকাপাকিভাবে চেন্নাইয়ে গিয়ে মায়ের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। সেখানেই স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন তিনি।

লেখাপড়ায় তুখোর জয়া

লেখাপড়ায় তুখোর জয়া

অনেকেই জানেন না যে দশম শ্রেণির পরীক্ষায় জয়ললিতা গোটা তামিলনাড়ুতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এজন্য তিনি 'গোল্ড স্টেট' পুরস্কারও পান। চেন্নাইয়ে যে স্কুলে তিনি পড়তেন তার নাম চার্জ পার্ক কনভেন্ট। এছাড়া তিনি পড়াশোনার জন্য সরকারি স্কলারশিপও পেয়েছিলেন। তামিল ছাড়াও কন্নর, তেলুগু, মালয়ালম, হিন্দি ও ইংরেজিতে কথা বলার দারুণ সাবলীল জয়ললিতা।

অভিনয় জীবন

অভিনয় জীবন

১৯৬১ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত সময়ে মোট ১৪০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন জয়ললিতা। তামিল সিনেমার অন্যতম কিংবদন্তি অভিনেত্রী ছিলেন তিনি। তামিল ছাড়াও তেলুগু কন্নড় সিনেমায় তিনি সমান দক্ষতায় কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি নৃত্যশিল্পী হিসাবেও অসম্ভব দক্ষ ছিলেন। জয়াকে তামিল সিনেমার 'কুইন' বলেও ডাকা হয়।

রাজনৈতিক কেরিয়ার

রাজনৈতিক কেরিয়ার

১৯৮২ সালে অভিনেতা তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমজি রামচন্দ্রণের হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন জয়ললিতা। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় সাংসদ হিসাবে কাজ করেন তিনি। ১৯৮৭ সালে রামচন্দ্রণ প্রয়াত হলে দলে বিভাজন তৈরি হয়। একদল ছিলেন এমজিআরের স্ত্রী জানকি রামচন্দ্রণের দিকে আর একদল ছিলেন জয়ললিতার সঙ্গে। এর ২ বছরের মধ্যেই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন জয়া। তারপর ধীরে ধীরে রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিতে মহীরূহ হয়ে ওঠেন।

lok-sabha-home
English summary
AIADMK chief J Jayalalitha's biography at a glance
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more