• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    আদালতে ধর্ষকের ছবি আঁকল ১০ বছরের মেয়ে, তারপর চাঞ্চল্যকর সিদ্ধান্ত আদালতের

    ধর্ষণের ঘটনার ২ বছর পরে অভিযুক্তকে , দোষী সাব্যস্ত করা খুবই কঠিন কাজ। কিন্তু সেই কাজ সহজেই করে ফেলেছে ১০ বছরের এক ছোট্ট মেয়ে। ছবি এঁকে, দিল্লি হাইকোর্টে প্রমাণ করে দিয়েছে যে তার এক কাকা তাকে ধর্ষণ করে।

    বছর দশের এই ছোট্ট মেয়েটি কলকাতা থেকে দিল্লি গিয়ে তার আত্মীয়ের কাছে থাকে। এর আগে মেয়েটির পরিবার ভেঙে গেলে, তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় আত্মীয়ের বাড়ি। সেখানে তার কাকা দিনের পর দিন তাকে যৌনভাবে হেনস্থা করতে থাকে। যার জেরে সে বাড়ি ছেড়ে পালায় ওই ছোট্ট মেয়েটি। তারপর তাকে এক সমাজসেবা সংস্থা খঁজে পায় দিল্লির এক বাসে।

    আদালতে ধর্ষকের ছবি আঁকল ১০ বছরের মেয়ে, তারপর চাঞ্চল্যকর সিদ্ধান্ত আদালতের

    ঘটনার জেরে মেয়েটির কাকাকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু ধৃতের আইনজীবীর দাবি তোলেন যে, ছোট্ট ওই মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে শেখানো হয়েছে। যে বুলি সে আদালতে বলছে, বা বয়ানে জানিয়েছে তা শেখানো বুলি।

    এরপরই মামলা চলাকালীন, মেয়েটিকে বসিয়ে রাখার জন্য, তার হাতে রঙ পেন্সিল ধরিয়ে দেওয়া হয়, যাতে সে শান্ত হয়ে এক জায়গায় বসে থাকে। তখনই ঘটনা মোড় নেয় আসল দিকে। মেয়েটি খাতায় আঁকতে শুরু করে তার সাথে যা যা ঘটেছে , সেই ঘটনার বিস্তারিত ছবি।

    সবচেয়ে ভয়ানক বিষয়, এই গোটা ছবিটি সে ধুসর রক্ষের রঙ পেন্সিল দিয়ে আঁকে। আর এই থবি দেখেই আদালতের অ্যাডিশনাল সেশন জাজ সিদ্ধান্তে পৌঁছন। বিচারক জানান, ধর্ষণের ঘটনা ওই ছোট মেয়েটির ওপর এমন প্রভাব ফেলেছে যে, সে তার অবসরেও ওই ঘটনারই ছবি আঁকে। ফলে , সমস্ত নথি ও তথ্যের বিচারে, ওই ছোট মেয়েটির কাকা আখতার আহমেদকে ৫ বছরের সাজা শোনায়।

    English summary
    Proving that a girl had been raped by her uncle, two years after the crime, would have been very difficult, but a Delhi trial court relied on the child's crayon sketches to convict the accused and award him five years in jail.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more